দোয়ারাবাজারে ৫ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, নভেম্বর ২৮, ২০২৫

দোয়ারাবাজারে ৫ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম

দোয়ারাবাজারে ৫ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম
দোয়ারাবাজারে ৫ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম


দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের চকবাজার–হরিণাপাটি সড়কের উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলজিইডির অধীনে আম্পান পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫ কোটি ৩২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়ক, পালাসাইডিং ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তবে প্রকল্পের শুরুতেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, দুর্বল ভিত্তি এবং কারিগরি ত্রুটির অভিযোগ উঠেছে।


প্রকল্পের নথি অনুযায়ী প্রায় ১,২০০ মিটার সড়ক, ১,৪০০ মিটার পালাসাইডিং এবং ৪০০ মিটার ড্রেন নির্মাণের কথা। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, গাইডওয়াল ও ব্লকে ব্যবহৃত কংক্রিটের মান যথাযথ নয় এবং রডের গুণগত মানও প্রশ্নবিদ্ধ। তদারকির ঘাটতির কারণে সড়কের স্থায়িত্ব ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।


স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম.এ. ইঞ্জিনিয়ারিং ও নাফিজ আহমেদ (জেভি) এবং উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদের মধ্যে ‘যোগসাজশ’ থাকতে পারে। তাদের মতে, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় পুরো প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।


এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ জানান। বক্তারা বলেন, “প্রকল্পে যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে তা শুধু অবহেলা নয়, বরং স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাব থাকতে পারে।”


প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন—ডা. আরবের রহমান খোকন, শাহ আলম, মনির হোসেন, ডা. সাইফুল ইসলাম, শরাফত আলী, মো. জাকির হোসেন, সাজিদুল ইসলাম, হারুন অর রশীদ, লিটন আহমেদ, নুর হোসেন, মাস্টার সিকান্দার আহমেদ, ইমাম হোসেনসহ স্থানীয় জনগণ। তারা প্রকল্পের নথি জনসমক্ষে প্রকাশ, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।


অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন,“স্থানীয়দের অভিযোগ আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। নিম্নমানের কাজের কোনো সুযোগ নেই। যেখানে ত্রুটি পাওয়া যাবে, ঠিকাদারকে তা সংশোধন করতে হবে। মানসম্মতভাবে প্রকল্প শেষ করতেই আমাদের প্রতিশ্রুতি।”


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরূপ রতন সিংহ বলেন,“নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।”

Post Top Ad

Responsive Ads Here