এরশাদ আলম, জলঢাকা প্রতিনিধি
নীলফামারী জলঢাকায় আধুনিক ধান চাষের কলাকৌশল বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা হলরুমে বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর আয়োজন করে। ব্রি-আঞ্চলিক এর প্রধান ড. আবু বক্কর সিদ্দিক সরকার এর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ আলী, বিশেষ অতিথি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর উর্ধŸতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর মেহেদী হাসান প্রমূখ। প্রশিক্ষণকালে ড. আবু বক্কর সিদ্দিক সরকার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষককে চাষাবাদ করতে হবে। বর্তমানে আবহাওয়ায় সঙ্গে তাল মিলিয়ে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এ অঞ্চলে ব্রি-৫২, ব্রি-৭৯, ব্রি-৭৫, ব্রি-৬৬, ব্রি-৭১ ধান এবং হাইব্রিড ধান-৪ ও ৬ জাতের ধানের ব্যবহারের কথা বলেন। নিচু জমির জন্য ৫১-৫২-৬৯ জাতের ধান আমন মৌসুমে ১৪ দিন পানিতে ডুবিয়ে থাকলেও এ ধানের কোন ক্ষতি হবে না। তিনি ধানের ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া এবং পোকাড় কারণে ধানের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে সঠিক সময়ে সার ও কীটনাশক প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন। অন্যান্য প্রশিক্ষকরা ধান উৎপাদনে আধুনিক পদ্ধতি, সার, ঔষধ প্রয়োগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে ৩৫ জন কৃষক এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেন।
নীলফামারী জলঢাকায় আধুনিক ধান চাষের কলাকৌশল বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা হলরুমে বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর আয়োজন করে। ব্রি-আঞ্চলিক এর প্রধান ড. আবু বক্কর সিদ্দিক সরকার এর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ আলী, বিশেষ অতিথি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর উর্ধŸতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর মেহেদী হাসান প্রমূখ। প্রশিক্ষণকালে ড. আবু বক্কর সিদ্দিক সরকার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষককে চাষাবাদ করতে হবে। বর্তমানে আবহাওয়ায় সঙ্গে তাল মিলিয়ে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এ অঞ্চলে ব্রি-৫২, ব্রি-৭৯, ব্রি-৭৫, ব্রি-৬৬, ব্রি-৭১ ধান এবং হাইব্রিড ধান-৪ ও ৬ জাতের ধানের ব্যবহারের কথা বলেন। নিচু জমির জন্য ৫১-৫২-৬৯ জাতের ধান আমন মৌসুমে ১৪ দিন পানিতে ডুবিয়ে থাকলেও এ ধানের কোন ক্ষতি হবে না। তিনি ধানের ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া এবং পোকাড় কারণে ধানের ক্ষতির কথা উল্লেখ করে সঠিক সময়ে সার ও কীটনাশক প্রয়োগের কথা উল্লেখ করেন। অন্যান্য প্রশিক্ষকরা ধান উৎপাদনে আধুনিক পদ্ধতি, সার, ঔষধ প্রয়োগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এতে ৩৫ জন কৃষক এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেন।

