ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী:
রাজশাহীর ৯টি উপজেলা থেকে করোনা নমুনা সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। কর্মহীন মানুষ এবং চিকিৎসা বঞ্চিত না হয় সেদিকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। করোনা রোধে এজেলার মানুষকে নিজ গৃহে থাকার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। গত মার্চ মাসে রাজশাহীতে বিদেশ থেকে এসেছে দুই হাজার ৯৫৯ জন। এর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয় এক হাজার ৮০ জনকে। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৩১৪ জন। আর ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৭৬৬ জনকে। গত ২০ ঘন্টায় চারজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। এরা সভায় মোহনপুরে।
আজ শনিবার সকালে এক সংবাদ সমম্মেলনে জেলা প্রশাসক হামিদুল হক এসকল বক্তব্য দেন। ওই সময় তিনি অরো বলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তবে সময়ের ব্যবধানে সংক্রমণ বেড়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার দেয়া হিসাবে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ জন যার মধ্যে ৮ জন মারা গেছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩০ জন।
অপরদিকে, হাসপাতালে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করে চিকিৎসকরা সংবাদ সম্মেলনে মিডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও করোনা চিকিৎসক সমন্বয় কমিটির আহবায়ক আজিজুল হক আজাজ।জানান, রামেক হাসপাতালে ০১ নার্সসহ ১২ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে চিকিৎসাধীন অছে। যাদেও মধ্যে মধ্যে ০৬জন পুরুষ এবং নারী আছে ০৬ জন। তাদের বেশির ভাগেরই বর্তমান অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তবে ০৩ পুরুষ ও নার্সকে পর্যবেক্ষনে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চিকিৎসাধীন নার্স গত ১০ দিন ধরে জ¦রে ভুগছে। তার শরীরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যান্য উপসর্গগুলোও রয়েছে। তাই তাকে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া আজ অবদি রাজশাহী বিভাগের কারও শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি।

