ফরিদপুরের লুটেরা দুর্বৃত্তদের নিয়ে লেখা ও বলাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২০

ফরিদপুরের লুটেরা দুর্বৃত্তদের নিয়ে লেখা ও বলাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার


ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর আওয়ামীলীগে চলছে শুদ্ধি অভিযান গত তিন মাস যাবত। এই অভিযানকে জেলাবাসী সহ সারাদেশের ত্যাগী ও পরীক্ষিত আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মিরা ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছেন। আর উদ্যোগের জন্য দলের নেতা-কর্মিরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। 


জানাযায় গত ৭জুন রাতে শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সহ ৯জনকে আটক হওয়ার পর থেকে একে একে আটক করা শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজমুল হাসান, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নিশাদ মাহমুদ শামীম, শ্রমিকলীগ নেতা বিল্লাল হোসেন, যুবলীগ নেতা ফারহান সহ ৮জনকে। আটকের তালিকায় রয়েছেন এপিএস ফুয়াদ, ব্যবসায়ী নেতা সিদ্দিক সহ আরো অনেকে। 


তাদের জিঙ্গাসাবাদে বেরিয়ে আসে হাজার হাজার কোটি টাকার গল্প। টাকার হিসেবে সারাদেশের সব দূর্নীতিকে হার মানিয়ে ফরিদপুর এখন টক অব দ্যা কান্টিতে পরিনত হয়েছে।  এ বিষয়ে ঢাকার কাফরুল থানায় গত ২৬ জুলাই সিআইডি এর তরফ থেকে দুই হাজার কোটি টাকার ম্যানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেখানেও আটককৃত অপরাধীরা তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন আদালতে। 

 
ফরিদপুরের এই সব রাঘব বোয়ালরা গ্রেফতারের পর থেকে গত ১২ বছর অবরুদ্ধ থাকা ফরিদপুরের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মি, সাংবাদিক ও সাধারন মানুষেরা বিভিন্ন সময়ে তাদের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখছেন এবং কথা বলছেন। এই ভূমিকা রাখা ব্যক্তিবর্গকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে পলাতক থাকা অপরাধী ও তাদের সহযোগিরা ভুয়া ফেক আইডি থেকে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন। আর এসব মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে অনেক ভুক্তভোগি সাধারণ ডায়েরী করেছেন এরই মধ্যে থানায়। 


কেন্দ্রীয় আ.লীগের সাবেক নির্বাহী সদস্য, ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল ঘোষ গত ১৫ আগষ্টের শোক সভায় লুটেরাদের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাকে নিয়ে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এসময় তার করোনা হয়েছে সহ নানা অপ্রচার করে দুর্বৃত্তরা।


এছাড়া যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অপ্রচার চালানো হয় ফেক আইডি থেকে। তিনি এ বিষয়ে একটি সাধারন ডাইরী করেছেন থানায়। 


ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ জামালকে নিয়েও নানা অপপ্রচার চালায় লুটেরা বলে তিনি জানান। আর এসব ঘটনা মাচ্চর ইউনিয়নের একটি অংশ ও ঈশানগোপালপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর, মদনদিয়া চাদঁপুর এলাকা থেকে হয় বলেও তিনি বলেন। 


এভাবে জেলায় বর্তমানে যারাই দুর্বৃত্ত লুটেরা বহুল আলোচিত বরকত, রুবেল, এপিএস ফুয়াদ, লেভীকে নিয়ে কথা বললে বা লিখলেই তাদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলে জানান ভুক্তভোগিরা। 


জেলার বিশিষ্টজনেরা মনে করেন এ সব ফেক আইডি ব্যবহারকারীদের আটক ও তাদের বিষয়ে প্রশাসন দ্রæত সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

Post Top Ad

Responsive Ads Here