সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ চুরি, আপোষ রফার অভিযোগ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২০

সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ চুরি, আপোষ রফার অভিযোগ



ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সদর উপজেলার চাদঁপুর ইউনিয়নের বঙ্গেশ্বরদী এলাকার সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত শুক্রবার রাতে দুই তলার জানলার কাচঁ ভেঙ্গে একটি ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটে। আর সেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। যদিও এসকল অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। 


জানাযায়, গত ২১ আগস্ট শুক্রবার দিবাগত রাত্রে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অফিসের জানালার কাচঁ ভেঙ্গে স্কুলের ল্যাপটপ চুরি করে নিয়ে যায় চোর। এ ঘটনা পরের দিন প্রধান শিক্ষক জেনেও না জানার ভান করেন এবং কাউকে না জানিয়ে চুপ থাকেন তিনি। এরপর রবিবার কানাইপুর বাজারে ল্যাপটপ বিক্রি করতে গিয়ে হাতে নাতে আটক হয় চোর মেহেদি হাসান(১৪)। পরে তাকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। 


গত সোমবার প্রধান শিক্ষক মোঃ মান্নান শেখ এলাকার চেয়ারম্যান শামসুর সাহার মহিদের বাড়িতে এক শালিস বৈঠকে এ বিষয়ে মিমাংসা করেন চোরের পরিবারের সাথে। এতে তারা চোরের বয়সের কথা ভেবে মিমাংসা করেন বলে প্রধান শিক্ষক ও চেয়ারম্যান এ প্রতিবেদকে জানান। সেখানে মোট পাচঁ হাজার টাকা নেয়া হয় বলেও তারা জানান। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ অনেক বড় অংকের টাকার বিনিময়ে এই ঘটনা ধামা চাপা দেয়া হয়েছে।  


এবিষয়ে অত্র ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ জানান, চোরের সাথে আপোষ রফা হয়েছে। আর এই কারনে কোন মামলা হয়নি।


স্কুলের সাবেক অভিবাবক সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা ফেসবুক সহ হাট বাজারে শুনেছি দেড় লক্ষ টাকায় আপোষ রফা হয়েছে। তবে ঘটনা স্বচক্ষে দেখি নাই। 


স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মান্নান শেখ বলেন, চোরের বয়সের কথা ও তার পরিবারের কথা ভেবে এই বিষয়টি মিমাংসা করেছি। তবে দেড় লাখ টাকার বিষয়ে আমার ও চেয়ারম্যানের যে কথাটি আসছে সেটি সত্য নয়। 


ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুর সাহার মহিদ বলেন, এ ঘটনাটি ঘটলেও স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রথমে আমাকে বিষয়টি জানায়নি। প্রধান শিক্ষক পরে আমাকে জানালে পাশের কৃষ্ণনগর ইউনিযনের দুই ইউপি সদস্য বিষয়টি মিমাংসার কথা বলে চোরের বয়সের কথা বলে। এসময় সকলের অনুরোধে আমার বাড়িতে বিষয়টি সকলের মতামতে ভিত্তিতে মিমাংসা করি। সেখানে পাচঁ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দেড় লক্ষ টাকার কথাটি সঠিক নয়। 


এদিকে এই বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি করেছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here