সময় ডেস্ক:
শনিবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩৭ জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন এক শিশু ও মুয়াজ্জিনসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিটিউটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।
এর আগে বার্ন ইউনিটের সহকারী পরিচালক ডা. হুসেইন ইমাম জানান, দগ্ধদের সবারই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। আহত রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের জন্য একটা ডেডিকেটেড ওয়ার্ড করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক পরিদর্শন করেছেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় সবারই চিকিৎসা চলবে। তবে কেউ শঙ্কামুক্ত নন।
নারায়ণগঞ্জের ওই মসজিদে এসি বিস্ফোরণ নাকি গ্যাস লিকেজ থেকে হয়েছে তা খতিয়ে দেখছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা।
ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানান, তারা ঘটনার পর মসজিদে গ্যাস ডিটেক্টর দিয়ে পরিমাপ করেছেন। মসজিদের ভেতরে প্রায় ৭০ ভাগ মিথেন গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লার বাইতুছ সালাত জামে মসজিদে এশার নামাজ শেষে মোনাজাত চলা সময়ে এসি বিস্ফোরণ হয়।


