ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি:
সারাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন সরকারী চাকুরী দেয়ার নামে প্রতরণা করে আসছে একটি প্রতারক চক্র। সম্প্রতী মিলিটারি প্রকৌশলী সার্ভিস (এমইএস) শাখায় ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী পদে চাকুরী দেয়ার প্রতারণায় ওই চক্রের ৩ জনকে সনাক্ত করতে পেরেছে রাজশাহীসহ অন্য জেলার চাকুরী প্রত্যাশিরা। সেনাবাহিনীর বদনামে মুছনের লক্ষে প্রতারক চক্রকে আটক করে দ্রæত বিচারের দাবিসহ তাদের টাকা উদ্ধার করার দাবি করেছে ভুক্তভোগীরা।
সোমবার দুপুরে রাজশাহীর একটি রেস্তুরেন্টে উপস্থিত হয়ে চারঘাট উপজেলার বালুদিয়াড় গ্রামের সাইরুল ইসলামের ছেলে শামীম আলী (২৩) গনমাধ্যমকে সকল তথ্য,উপাথ্য দিয়ে অভিযোগ করে বলে, রাজশাহীর ২জন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ২ জন এবং ঝিনাইদহ জেলার ১২জন চাকুরী প্রত্যাশিদের চাকুরী দেয়ার নামে ১৬ জনের কাছ থেকে অগ্রিম ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ওই প্রতারক চক্র। ভুক্তভোগী সকলের পক্ষ থেকে শামীম বলে, যথারীতি পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে তারা নিয়োগ পত্র পেয়েছে। নিয়োগ পত্রে উল্লেখিত যোগদানের তারিখ অনুযায়ী ঢাকা (ইমইএস) প্রধান কার্যালয়ে যোগদান করতে গেলে মিলিটারি এমপি চেকপোষ্ট থেকে তাদেরকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়না। কর্তব্যরত সেনা সদস্যরা বলেন, তাদের কাছের নিয়োগ পত্র গুলো সর্ম্পূন ভূয়া।
নিয়োগ পত্রের বৈধতার নিশ্চিতের লক্ষে প্রতারক চক্রের প্রধান প্রতারক হলো আলম তালুকদার সে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সাদিকের ছেলে। অপরজন একই জেলার রক্তাপুর গ্রামের সানোয়ারের ছেলে নূরনবী এবং রোকন আলী। তাদের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম বলেন, চাকুরী দেয়ার নামে প্রতারক চক্রের হাত থেকে সর্তক থাকার জন্য সরকারী ভাবে বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়ে থাকে। কিন্ত চাকুরী প্রত্যাশিরা সকল বাধা উপেক্ষা করে বাকাঁ পথে কিছু হাছিল করার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগ গ্রহন করছে তৃতীয় কোন একটি পক্ষ। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেলা/রাজ

