সময় সংবাদ ডেস্কঃ
দূরপাল্লা বাস চলার বিষয়টি জানার পরে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু পয়েন্টে সকাল থেকে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত অন্তত ৫০টি যাত্রীবাহী বাস ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া মামলাও দেয়া হচ্ছে।
কয়েকজন বাসচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে গাড়ি নিয়ে সড়কে নেমেছি।
বগুড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বেসরকারি কর্মজীবী ইদ্রিস আলম বলেন, কাল থেকে অফিস খোলা। দুই এক দিনের মধ্যেই রাস্তায় ভিড় বাড়বে, যে কারণে আজই রওনা হয়েছি। বাস তেমন চলছে না, যে কারণে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, রাস্তায় যেন দূরপাল্লার বাস চলাচল করতে না পারে সে জন্য পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। গোড়াই চেকপোস্টে সকাল থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে চারটি যাত্রীবাহী বাসে মামলা দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্টও রয়েছে।
একই চিত্র দেখা যায় ঢাকা সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম থানার ওসি মোসাদ্দেক বলেন, সকালে কিছু গাড়ি সেতু পার হয়েছে। দুপুর ১২টা থেকে বড় গাড়ি, বিশেষত যাত্রীবাহী বাসগুলোকে আর সেতুতে উঠতে দেয়া হচ্ছে না।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি মো. শাহজাহান আলী বলেন, দুপুর ১টার দিক থেকে মহাসড়কে বাস চলতে দেয়া হচ্ছে না। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা বাসগুলো হাটিকুমরুল থেকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। কড্ডার মোড় থেকেও কিছু গাড়ি ফিরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি মামলাও দেয়া হয়েছে।

