নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
অর্থের যোগানদাতাদের খুঁজে বের করতে পরীমনিকে রিমান্ডে চায় সিআইডি
পরীমনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্তরালে বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালতে রাজধানীর বনানী থানার মাদক আইনের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদনে এ কথা জানায় তদন্ত সংস্থাটি।
এ রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা।
এদিকে কাল বৃহস্পতিবার পরীমনির রিমান্ড শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মজিবুর রহমান।
তিনি বলেন, পরীমনির জামিন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সকালে হঠাৎ করেই সিআইডি পরীমনির আবার পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে। সেই কারণে বিচারক বৃহস্পতিবার পরীমনির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন।
সিআইডি কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে জানান, পরীমনিকে রিমান্ডে নিয়ে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের শেষ দিকে আসামি মামলার ঘটনা ও ঘটনার নেপথ্যে মূল হোতাদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তার দেওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পরীমনিকে আদালতের আদেশে পুলিশ রিমান্ডে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, তার সঠিকতাসহ মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের গ্রেফতার, মাদকদ্রব্যের মজুদ উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসার পেছনে অর্থের যোগানদাতাদের খুঁজে বের করতে পুনরায় পাঁচদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
রিমান্ড আবেদনে আরো বলা হয়, পরীমনিকে রিমান্ডে পাওয়া গেলে মাদক ব্যবসায়ী মূল হোতাদের গ্রেফতার, মাদকদ্রব্যের অবৈধ উৎসসহ অপরাধীদের সন্ধান পাওয়া সম্ভব হবে। পরীমনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্তরালে বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন মর্মে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৪ আগস্ট পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ওই সময় নতুন মাদক এলএসডি, মদ ও আইস উদ্ধার করা হয়। তার ড্রয়িংরুমের কাবার্ড, শোকেস, ডাইনিংরুম ও বেডরুমের সাইড টেবিল ও টয়লেট থেকে বিপুল মদের বোতল উদ্ধার করা হয়।

