দোয়ারায় চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে নিরিহ দুটি পরিবারের লোকজন - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১

দোয়ারায় চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে নিরিহ দুটি পরিবারের লোকজন




দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ

দোয়ারাবাজারে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন নিরিহ দুটি পরিবারের লোকজন। একেরপর এক মামলা হামালা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটাচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা । ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের মৌলারপাড় গ্রামে। জমি দখলকে কেন্দ্র করে রফিক মিয়া ও দিলোয়ার হোসেন এর মধ্যে দীর্ষদিন ধরে মামলা হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে আসছে। মামলা ও ঘটনা সুত্রে জানাগেছে রফিক মিয়া দীর্ষদিন ধরে দিলোয়ার হোসেনের অত্যাচারে বাড়িঘর ছারা রফিক মিয়ার দুইটি পরিবার। গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্য দিবালোকে দিলোয়ার হোসেনের পুত্র আল আমিন সহ প্রায় অর্ধশতাদিক লোকজন রফিক মিয়ার ছোট ভাই আব্দুল আজিজ ও মেয়ে ঝরনা আক্তারের বাড়িঘর ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তারা। এর আগে ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী সকাল বেলা রফিক মিয়া প্রবাসে থাকাবস্তায় তার আত্মীয় স্বজনের দালান ঘর গহ ৫টি ঘর মাটির সাথে মিশে ফেলে মুহূর্তের মধ্যেই। একই কায়দায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে ভাংচুর করাবস্থায় ঘটনা স্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। ঘটনাস্থল থেকে আল আমিনের পক্ষের দুই জন মহিলাসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ। বর্তমানে আল আমিন,রমিজ উদ্দিন ও মনিরে লোকজনের ভয়ে বাড়িঘরে থাকতে পারছেনা রফিক মিয়ার ভাইয়ের পরিবার ও তার মেয়ে পরিবারের লোকজন। ঝরনা আক্তার বাদিহয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেন একটি ও রফিক মিয়ার ভাই আব্দুল আজিজের ঘর পোড়ার মামলার বাদি হয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলা দায়ের করেন আরেকটি। আদালতে মামলা দেয়ার পর থেকে এখন আরো উত্তেজিত হয়ে রফিক মিয়ার ভাই ও মেয়ে ঝরনা বেগমের পুকুরের মাছ আল আমিন, রমিজ উদ্দিন ও মনির উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত লুটপাট করছে তারা। ঝরনা বেগমের মামলার আসামী মনির উদ্দিন গত মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা দিতেগেলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্ররণ করেন। 

এব্যাপরে রফিক মিয়া বলেন, আমার বাবা চাচারা ১৯৭৩ সালে জমির রেকর্ডিয় মালিকের কাছ থেকে ৮ কেদার জমি ক্রয় করেন। পরে আমি আমার বাবাও চাচার কাছ থেকে ক্রয় করি। আমি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষেতে ফসক করে আসতেছিলাম। আমি বিদেশে যাবার পর আমার স্বজনদের ৫ টি ঘরবাড়ি ভাংচুর করে জমি দখলের পায়তারা করে তারা। এমনকি আমার পরিবারের কাছে প্রকাশ্যে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরে আমার মেয়ে ঝরনা আক্তার জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি চাদাবাজির মামলা দায়ের করে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত্রাধীন রয়েছে। বর্তমানে আল আমিন,রমিজ উদ্দিন এর লোকজন বাড়িঘরে ভাংচুর করছে ও দুইটি পুকুর থেকে প্রতিদিন মাছ মারছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here