জেলা প্রতিনিধিঃ
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেছেন, আগুন লাগার পর এমভি অভিযান লঞ্চটি নোঙর করে রাখলে এত প্রাণহানি হতো না। নদীটি ছোট ছিল, যাত্রীরা সাঁতরে কিংবা স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠে প্রাণ বাঁচাতে পারতেন।
রোববার দুপুরে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট ও পুড়ে যাওয়া এমভি অভিযান-১৯ লঞ্চ পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতি, অসাবধানতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে এত হতাহত হয়েছে। আগুন লাগার পর নির্বাপনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও বয়া ছিল না, যা ছিলো তা সরবরাহ করা হয়নি। আগুন লাগার পর এক ঘণ্টার বেশি সময় চালক লঞ্চটি চালিয়েছে। শুরুতেই নোঙর করা হলে ক্ষয়ক্ষতি এত বেশি হতো না।
তিনি আরো জানান, ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। পুরো তদন্ত শেষ করতে আমাদের প্রায় দুই সপ্তাহ লাগবে। এরপর আমরা আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে পারব। প্রাথমিক তদন্তে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির বিষয়টি সামনে এসেছে।
এ সময় বরিশাল বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
