স্বাস্থ্যের জন্য কোন তেল ব্যাবহারে উপকার | সময় সংবাদ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, মে ২৫, ২০২২

স্বাস্থ্যের জন্য কোন তেল ব্যাবহারে উপকার | সময় সংবাদ

 

স্বাস্থ্যের জন্য কোন তেল ব্যাবহারে উপকার | সময় সংবাদ
স্বাস্থ্যের জন্য কোন তেল ব্যাবহারে উপকার | সময় সংবাদ



সময় সংবাদ ডেস্ক:

 

 কোন তেল ব্যবহারে উপকার বেশি-সয়াবিন নাকি সরিষা?


 এই প্রশ্ন অনেকের মনে ঘুরপাক খায়। এছাড়া বর্তমানের তেল নিয়ে তেলবাজিতে এ প্রশ্ন যেন আরো সম্মুখে আসছে। আসুন এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন জেনে নিই-


কোন তেল ব্যবহারে উপকার বেশি বা পুষ্টি বেশি পাওয়া যায়? এ বিষয়ে জানান ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চীফ কনসালটেন্ট, পুষ্টিবিদ সামিরা খালেক সুকৃতি।


ডা. সামিরা বলেন, ‘আমাদের দেশে যত ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহার হয় তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সরিষার তেল। সয়াবিন তেলে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা পাম অয়েলসহ বিভিন্ন কিছু মেশায়। অধিক মুনাফার জন্য তারা এ কাজ করে। কিন্তু সরিষার তেলে সে সুযোগ নেই। কারণ সরিষার তেলে এমন কিছু মেশালে ভালোভাবে মিক্সড হয় না। এ কারণে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো। সানফ্লাওয়ার অয়েলের সঙ্গেও অন্য তেল মেশানো যায়।’




ক্যাস্টর অয়েল নিয়মিত খাওয়ার জন্য উপকারী নয় উল্লেখ করে এই পুষ্টিবিদ বলেন, রান্নায় নিয়মিত ব্যবহারের জন্য সানফ্লাওয়ার অয়েল ভালো, যদি সেটি খাঁটি হয়।


ক্যালরির বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সামিরা বলেন, ‘ক্যালরির দিক থেকে মোটামুটি সব তেল প্রায় সমান। তেল যেহেতু ফ্যাটের অধীন, এক গ্রাম ফ্যাট থেকে ৯ ক্যালরি পাওয়া যায়। ফলে তেলের ক্ষেত্রে ক্যালরির ডিসটেন্স কিন্তু বেশি হচ্ছে না। আমাদের দেহে দুই ধরনের ফ্যাট রয়েছে- স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এখন সয়াবিন তেলের চেয়ে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো, অলিভ অয়েল আরো ভালো। কিন্তু তেল ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। অনেকে মনে করেন, অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে বেশি পুষ্টি হবে। কিন্তু যখন আপনি অলিভ অয়েল বেশি তাপে রান্না করবেন গুণগত মান নষ্ট হবে। অলিভ অয়েল দিয়ে আপনি হালকা ডিম ভাজতে পারেন কিন্তু খুব বেশি তাপে রান্না করলে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণ পাবেন না।’



 

আমাদের দেশে তেল-মসলা বেশি খাওয়া হয়। এ জন্য সয়াবিন তেল ব্যবহার করা হয়। চাইলে সরিষাবাটা তেল দিয়েও রান্না করা যায়। সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে বরং পরিমাণে কম লাগে। এতে শরীরে ক্যালরি বাড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। জানান এই পুষ্টিবিদ।


উল্লেখ্য বাংলাদেশের বেশিরভাগ সয়াবিন আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। গত ২০-২১ অর্থবছরে দেশটির কৃষকদের বড় একটি অংশ অর্গানিক খাদ্যশস্য আবাদ করেছে। পণ্যবাজারের তথ্য সেবাদাতা ও অর্গানিক এবং নন-জিএমও কৃষিপণ্যের অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান মার্কারিস সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে অর্গানিক সয়াবিনের আবাদ ও অর্গানিক খাদ্যশস্যের আবাদ বৃদ্ধির তথ্য জানিয়েছে।



 

মার্কারিস জানায়, ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সব মিলিয়ে ৯১ লাখ একর জমিতে অর্গানিক খাদ্যশস্য আবাদ হয়েছে। ঊর্ধ্বমুখী আবাদে জ্বালানি জুগিয়েছে সয়াবিন। ৪০ হাজার একর জমিতে তেলবীজটির আবাদ করা হয়। এক বছরে সয়াবিন উৎপাদন বেড়েছে ১৩ শতাংশ। শুধু তাই নয়, মাথাপিছু আবাদ ও উৎপাদনও বেড়েছে লক্ষণীয় মাত্রায়।



মার্কারিসের অর্থনীতিবিদ হেনরি উইলসন বলেন, গত বছরজুড়ে অব্যাহতভাবে সয়াবিনের দাম বাড়তে থাকে। এ কারণে ব্যাপক অর্গানিক সয়াবিন আবাদ করা হয়। কৃষকদের প্রত্যাশা, তেলবীজটির বাজারে ঊর্ধ্বমুখিতা অব্যাহত থাকবে। চাঙ্গা বাজার থেকে বড় অংকের মুনাফার সুবিধা নিতেই তারা আবাদ বাড়ান।


যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্গানিক খাদ্যশস্য আবাদ হয়েছে মন্টানায়। এছাড়া ইলিনয়, লোওয়া, কানসাস ও নেবরাস্কায়ও আবাদ প্রসারিত হয়েছে।




Post Top Ad

Responsive Ads Here