সময় সংবাদ ডেস্কঃ
খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাণের উৎসব বৈসু-সাংগ্রাই-বিজু(বৈসাবি) উৎসবের উদযাপন করছে প্রতিটি পাহাড়ি গ্রামের গ্রামের ।
পাহাড়ের উৎসবের ঘিওে রং ছড়িয়ে পড়ে। বর্ণিল পোষাকে তরুন-তরুনী ছাড়াও বিভিন্ন বয়সের পাহাড়ীগোষ্ঠীর নারী পুরুষ আনন্দতে মেতে উঠেছে ।
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্যসহ মনোজ্ঞ, মারমা সম্প্রদায়ের পাখা নৃত্য, পানি উৎসব ও সাওতাল নৃত্য মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন চলছে ।
এদিকে চাকমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ে ফুল বিঝু বৃহস্পতিবার আর মারমা সম্প্রদায়ে শুক্রবার নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে শুরু হবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি। ওই দিন সকালে চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনী নদীতে ফুল ভাসানো হয়।
১৩ এপ্রিল চাকমা সম্প্রদায়ের মূল বিঝু আর পহেলা বৈশাখ বা গজ্জাপয্যা। ওই দিন ঘরে ঘরে চলবে অতিথি আপ্যায়ন। সেই সাথে সব বয়সী মানুষ নদী খাল অথবা ঝর্নায় গঙ্গা দেবীর পুজা আরাধনা করবেন। ১৪ এপ্রিল পালিত হবে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই ও পানি উৎসব বাংলা নব বর্ষের র্যালী।
১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত তিন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে ‘বৈসাবি’ নামে এ উসব পালন করে আসছে। যা সময়ের ব্যবধানে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের লোকদের কাছে ‘বৈসাবি’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব নামে ‘ত্রিপুরা ভাষায় বৈসু, মারমা ভাষায় সাংগ্রাই এবং চাকমা ভাষায় বিঝ’ নামে এ উৎসব পালন হয়ে থাকে।এ তিন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষার নামের প্রথম অক্ষর নিয়ে ‘বৈসাবি’ নামকরণ করা হয়।
খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রাণের উৎসব বৈসু-সাংগ্রাই-বিজু(বৈসাবি) উৎসবের উদযাপন করছে প্রতিটি পাহাড়ি গ্রামের গ্রামের ।
পাহাড়ের উৎসবের ঘিওে রং ছড়িয়ে পড়ে। বর্ণিল পোষাকে তরুন-তরুনী ছাড়াও বিভিন্ন বয়সের পাহাড়ীগোষ্ঠীর নারী পুরুষ আনন্দতে মেতে উঠেছে ।
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গড়িয়া নৃত্যসহ মনোজ্ঞ, মারমা সম্প্রদায়ের পাখা নৃত্য, পানি উৎসব ও সাওতাল নৃত্য মনোজ্ঞ ডিসপ্লে প্রদর্শন চলছে ।
এদিকে চাকমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ে ফুল বিঝু বৃহস্পতিবার আর মারমা সম্প্রদায়ে শুক্রবার নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে শুরু হবে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি। ওই দিন সকালে চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনী নদীতে ফুল ভাসানো হয়।
১৩ এপ্রিল চাকমা সম্প্রদায়ের মূল বিঝু আর পহেলা বৈশাখ বা গজ্জাপয্যা। ওই দিন ঘরে ঘরে চলবে অতিথি আপ্যায়ন। সেই সাথে সব বয়সী মানুষ নদী খাল অথবা ঝর্নায় গঙ্গা দেবীর পুজা আরাধনা করবেন। ১৪ এপ্রিল পালিত হবে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই ও পানি উৎসব বাংলা নব বর্ষের র্যালী।
১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত তিন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে ‘বৈসাবি’ নামে এ উসব পালন করে আসছে। যা সময়ের ব্যবধানে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের লোকদের কাছে ‘বৈসাবি’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব নামে ‘ত্রিপুরা ভাষায় বৈসু, মারমা ভাষায় সাংগ্রাই এবং চাকমা ভাষায় বিঝ’ নামে এ উৎসব পালন হয়ে থাকে।এ তিন সম্প্রদায়ের নিজস্ব ভাষার নামের প্রথম অক্ষর নিয়ে ‘বৈসাবি’ নামকরণ করা হয়।

