টাঙ্গাইলের সখীপুরে একই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে দুই জন - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

মঙ্গলবার, আগস্ট ০৭, ২০১৮

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে দুই জন

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাইটকা নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দু’জন প্রধান শিক্ষক একই বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পেয়েছেন। এদের একজন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। আর অন্যজনকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ দেওয়া হয়েছে।


উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস স‚ত্রে জানা গেছে, উপজেলার বোয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাশেম মিয়া কিছুদিন আগে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পান। তাই গত ৩ জুন ছোট দীঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। 

কিন্তু ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় হাশেম মিয়া আর যোগ দিতে পারেননি। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের আদেশে গত ১৬ জুলাই উপজেলার বাইটকা নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাশেম মিয়া প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।


অন্যদিকে ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নন-ক্যাডার হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চিঠি মোতাবেক প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বাহার নামে আরেক জনকেও ওই বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। তিনি ২২ জুলাই প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ফলে একই বিদ্যালয়ে দুই প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পাওয়ায় জটিলতা এড়াতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের পরামর্শে হাবিবুল্লাহ বাহারকে আপাতত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হাবিবুল্লাহ বাহার বলেন, ‘বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও অবশেষে নন-ক্যাডার হিসেবে কোনোমতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি। কিন্তু পদায়ন জটিলতায় উপজেলা প্রাথমিক কার্যালয়ে আপাতত অলস সময় পার করছি। শুনেছি, নতুন কোনো বিদ্যালয়ে যোগদানের আগ পর্যন্ত করণিকের কাজ করতে হবে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।’

বাইটকা নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাশেম মিয়া বলেন, ‘ওই শিক্ষকের আগে যোগ দেওয়ায় আমিই বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানবেন্দ্র দাস বলেন, ‘বাইটকা নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১৬ জুলাইয়ের আগে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য ছিল। ফলে শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো তালিকায় ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দেখানো হয়। ডিজি শূন্য পদ পূরণে হাবিবুল্লাহ বাহারকে ওই বিদ্যালয়ে যোগদানের জন্য চিঠিতে উল্লেখ করেন। কিন্তু এর মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে পদোন্নতি পাওয়া প্রধান শিক্ষক হাশেম মিয়া ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করায় সাময়িক সংকট দেখা দিয়েছে। আশা করি, অল্প দিনের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান হবে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here