মেহের আমজাদ,মেহেরপুর-কোন রকম সিজার ছাড়াই মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে এক সঙ্গে জন্ম নিয়েছে তিন শিশু কন্যা । ফুটফুটে তিন কন্যার নাম রাখা হয়েছে কথা, কাব্য ও দোয়েল। বাবা- মায়ের মুখে হাসি ফুটিয়ে গতকাল সোমবার সকালে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভুমিষ্ট হয়েছে তারা।
১৫ বছর পর ছেলে সন্তানের মুখ দেখতে চেয়ে বাবা-মা এবারও দেখলো তিনটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের মুখ। ভুমিষ্ট হওয়ার পর থেকে তারা তিনজন ও তাদের মা সুস্থ রয়েছে এমনটিই জানালেন তাদের বাবা কিবরিয়া হোসেন। কিবরিয়া হোসেন মেহেরপুর পৌরসভায় লাইসেন্স শাখার সহকারি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
মেহেরপুর সদর উপজেলার উজুলপুর গ্রামের কিবরিয়া-মিতালি দম্পত্তি এ নিয়ে ৫টি কন্য্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন। তাদের প্রথম সন্তান কণিকা তার বয়স ২২ বছর। ২য় সন্তান কবিতা তার বয়স ১৫ বছর। ঠিক ১৫ বছর পর এক সঙ্গে আরো তিনটি কন্যা সন্তান জন্ম নিলো। আদর করে তাদের নাম রাখা হলো কথা, কাব্য, দোয়েল। যথাক্রমে তাদের ওজন ২.৫ কেজি, ২.২ কেজি এবং ১.৮ কেজি। তারা বর্তমানে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ৩য় তলার শিশু ওয়ার্ডের ৯ নম্বর কেবিনে চিকিসাধীন রয়েছে।
বাবা কিবরিয়া হোসেন বলেন, সৃষ্টিকর্তার ইশরায় এক সাথে তিনটি কন্যা সন্তান পেয়েছি। তাদের মা সহ তারা সবাই ভালো আছে। জন্মের সাথে সাথে আদর করে তাদের নাম রেখেছি কথা, কাব্য ও দোয়েল। তারা সকলেই মানুষের মত মানুষ হোক এ দোয়া চাই সকলের কাছে।
কন্যা সন্তানদের নানি সুফিয়া খাতুন বলেন, তিন কন্য্যা হলেও আমরা খুশি। তারা ভালো ভাবে বেঁচে থাকুক। মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাফিক-উন নবি সিয়াম জানান, ভুমিষ্ট হওয়া তিন শিশু কন্যা ভালো আছে। তাদের ওজনও স্বাভাবিক। তবে শীতকালে তাদের প্রতি বাড়তি যতœ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

