সময় সংবাদ ডেস্ক//
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকার কূটনীতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের উপর চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানাচ্ছি। লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা মানবিকতার উদাহরণ দিয়েছেন তা বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার কুমিল্লা জোন, বিআরটিএ এবং বিআরটিসি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, একদিকে যেমন রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দেয়ার জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হচ্ছে; তেমনি ভাসানচরে তাদের নেয়ার জন্য প্রস্তুতি চলছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ কমে গেলে ১১ লাখ রোহিঙ্গাদের বোঝা বাংলাদেশ কীভাবে বইবে। এ বিষয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে গণপরিবহন আগের ভাড়ায় ফিরে যাবে। সম্প্রতি পরিবহন মালিক শ্রমিক হোল্ডার ও বিআরটিএ-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সেই সভার সুপারিশ সরকারের বিবেচনা করার জন্য পেশ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এবং বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে শর্ত সাপেক্ষে গণপরিবহনের পুরনো ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার বিষয়টি সরকার চিন্তা ভাবনা করছে। পরিবহনে মাস্ক পরিধান শতভাগ বাধ্যতামূলকসহ দাঁড়িয়ে কোনভাবেই যাত্রী নেয়া যাবে না। যাত্রীদের সিটে বসে ভ্রমণ করতে হবে। এই দুটি শর্তে পরিবহন গুলো আগের ভাড়ায় চলবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, কেবিনেট সচিবের সঙ্গে আমার এই বিষয়ে কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকেও বিষয়টি জানিয়েছি। আমার মনে হয় সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে গণপরিবহনে আগের ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তও আসতে পারে। কেবিনেট সচিবের সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে শিগগিরই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, দেশে করোনার সংক্রমণ একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে রয়েছে, প্রতিদিনই সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা একটি ট্রেন্ড ধরে চলছে, বাড়ছেও না, কমছেও না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলক ভালো। তবে তা নিয়ে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। এ অবস্থায় রাজধানী ঢাকায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিকাংশ মানুষ মাস্ক পরিধান করেছে না। এ ধরনের অবহেলা ভয়ংকর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আমাদের পরিবহন গুলোতে একই অবস্থা কথা দিয়েও কথা রাখা হয়নি।
ওবায়দুল কাদের বলেন,অনেক দেশেই করোনার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। তাই নিজের এবং সবার স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসহ বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করে বাইরে যেতে হবে। খুব শিগগিরই করোনা চলে যাবে এমনটা না ভেবে সচেতনভাবে সবাইকে চলতে হবে।

