হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মিনাট গ্রামে ডাক্তার সেঁজে দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে চলেছে সুজিত আচার্য্য নামে এক ভূয়া ডাক্তার।
উপজেলার ২নং ইউনিয়নের সুখময় আচার্যের পুত্র সুজিত আচার্য্য দীর্ঘদিন যাবত ওই ভূয়া ডাক্তারি করে সাধারণ মানুষদের সাথে প্রতারণা করার লিখিত চিকিৎসা পত্রসহ রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মৌখিক অভিযোগ।
সরজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, উপজেলার মিনাট গ্রামে শান্তা ফার্মেসী নামে একটি ঔষধ ঘরে তিনি ডাক্তারী চেম্বার খুলে দিনের পর দিন নিজেকে ডাক্তার দাবী করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
ভূয়া ডাক্তার সুজিত আচার্য্যের নেই ডাক্তারী পেশার প্রাতিষ্ঠানিক কোন প্রকার সনদ না থাকা সত্ত্বেও দিব্বি এম.বি.বি.এস ডাক্তারদের মতো নিজের নামের আগে ডাক্তার পদবী লাগিয়ে নিজস্ব একটি প্যাড ব্যবহার করছেন দিচ্ছেন রোগীদের ঔষধ প্রেসক্রিপশন। প্যাডে আবার উল্লেখ রয়েছে "এম.এল.এফ" ভুয়ার ডাক্তারী
করে অনেকেরই অজানা অনেক বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
অপরদিকে ইতিপূর্বে ভূয়া ডাক্তার সুজিতের অপচিকিৎসায় গর্ভবতী এক নারীর শিশু মৃত প্রসব হয়েছে। তার পরই তার বিরুদ্ধে ভুয়া ডাক্তার পদবী ব্যবহার করছে সবার সামনে আসে। তবে ক্ষতিগ্রস্থ গর্ভবতী নারী গরীব হওয়ার ফায়দা নিয়ে মোটা অংকের টাকা দিয়ে রফাদফার করে নেয় ।
ডাক্তার সেঁজে মানুষের সাথে প্রতারণা এবং প্রেসক্রিপশন করা সম্পর্কে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ভূয়া ডাক্তার সুজিত আচার্য্য বলেন,
আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। আমি কারো সাথে প্রতারণা করি নাই এবং কাউকে কোন প্রকার ঔষধ প্রেসক্রিপশন করি নাই।
এ ব্যাপারে, বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার শামীমা আক্তার এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে জানান যে
এল.এম.এফ করে কেউ ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে রোগীদের কোন প্রকার ঔষধ প্রেসক্রিপশন করতে পারেন না কারণ আমাদের দেশের সাংবিধানিক আইনী অনুযায়ী এটা বড় ধরনের দেশের সাথে দূর্নীতি করার সমান অপরাধ। কেউ
কোন ভাবেই প্যাড ব্যবহার করে প্রেসকিপশন করা দেওয়ার অনুমোদন নেই।

