ভোলা চরফ্যাশনে দু' খুনের আসল রহস্য উদঘাটন, জমি কেন্দ্রিক: পুলিশ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, এপ্রিল ২৪, ২০২১

ভোলা চরফ্যাশনে দু' খুনের আসল রহস্য উদঘাটন, জমি কেন্দ্রিক: পুলিশ



ভোলা সংবাদাতাঃ 

ভোলার চরফ্যাসনের আসলামপুর ইউনিয়নে দুই খুনের ১৪ দিন পর পোড়া দুই দেহের মাথা ও খুনের কাজে ব্যবহৃত

ছেনি উদ্ধার করেছে চরফ্যাসন থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে খুনের কাজে ব্যবহৃত ছেনি এবং গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পোড়া দুই দেহের বিচ্ছিন্ন দুটি মাথা উদ্ধার করা হয়।


থানা সুত্রে জানাগেছে, হত্যার মুল পরিকল্পনাকারী মো.বেলাল’র দেয়া তথ্য মতে ঘটনাস্থলের অদূরে সুন্দরী খাল থেকে ছেনিটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় একহাজার গজ উত্তরে ফরাজী বাড়ির মহিব্বুল্লার ঘরের পিছনের রিং স্লাব দ্বারা নির্মিত টয়লেটের সেপটি ট্যাংকি থেকে মাথা দুটি উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় পুলিশ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মো. বেল্লাল, বেলালের শশুড় আবু মাঝি ও ভাই কাশেমকে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করেছেন। এর আগে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।


ভোলা জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানিয়েছেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামীরা জানিয়েছেন লাশ দুটি পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত উপেন্দ্র চন্দ্র শীলের ছেলে তপন চন্দ্র শীল (৫৫) ও দুলাল চন্দ্র শীল (৪০)।

তিনি আরো জানান,গত প্রায় ৩ বছর যাবত হত্যা কান্ডের শিকার দুই সহোদর এর সাথে তাদের মা এবং ছোট ভাইয়ের যোগাযোগ ছিলো না। গত ডিসেম্বরে তারা বেল্লালের কাছে গোপনে নিজেদের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে, বেল্লাল পাওনা মোট টাকা পরিশোধ করেনি। 


তপন ও দুলাল তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ করতে বেল্লালকে চাপ দিলে সে টাকা পরিশোধ করতে যাতে না হয় এই ভাবনা থেকে গত ৭ এপ্রিল দিবাগত রাতে কৌশলে তপন ও দুলালকে ডেকে নিয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জন আসামীর সহযোগীতায় আসলামপুর সুন্দরী ব্রিজ সংলগ্ন জামাল ভুইয়ার পরিত্যক্ত

বাগানে তাদেরকে জবাই করে হত্যা করে। পরে গভীর রাতে দেহ আগুনে পুড়িয়ে দেহ থেকে মাথা দুটি বিচ্ছিন্ন করে টয়লেটের সেপটি ট্যাংকিতে ফেলে দেয়।


উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল দুপুরে আসলামপুরের সুন্দরী ব্রিজ সংলগ্ন জামাল ভুঁইয়ার বাগানে স্থানীয় একজন কৃষক পোড়া লাশ দেখে পুলিশকে জানালে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠান। ওই সময় এস আই নুরুজ্জামান বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে চরফ্যাসন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 


চরফ্যাসন থানার এস আই প্রবোধ দাস মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।




Post Top Ad

Responsive Ads Here