"দোয়ারাবাজার থানার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে সুশীল সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিন্দা,, - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, মে ২৪, ২০২১

"দোয়ারাবাজার থানার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে সুশীল সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিন্দা,,



দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ 

দোয়ারাবাজারে ফেইসবুক, অনলাইন নামধারী সাংবাদিক মুন্না দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজির আলম কে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করায় দোয়ারাবাজার উপজেলার সুশীল সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কথিত সাংবাদিকের চাঁদাবাজির ধান্দার সুযোগ না দেওয়ায় এই ফেইসবুক ও অনলাইনে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। স্থানীয় সুশীল সমাজ, মুক্তিযোদ্ধা, প্রেসক্লাব ও সাধারণ জনগণ জানান, বর্তমান দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দোয়ারাবাজারে আসার পর আইনশৃঙ্খলার উন্নতির সাথে নারী নির্যাতন, যৌতুক, নারীর প্রতি সহিংসতা, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসা বন্দ হয়েছে। থানার বিতরে ও বাইরে ঘোষ দুর্নীতি বন্দ হয়েছে। টাউট বাটপাররা ওসির টেবিলে বসতে পারে না। তাই সব সময়ের চেয়ে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ জবাবদিহি ও সাধারণ জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। 


এব্যাপারে বীর প্রতিক আব্দুল হালিম অভিমত ব্যক্ত করে জানান, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ নাজির আলম একজন দক্ষ ও নিষ্টাবান পুলিশ অফিসার। উনার বিরুদ্ধে ফেইসবুকে যারা অপপ্রচার চালায় তারা মুলত চাঁদাবাজির সুযোগ না পাওয়ায় মিথ্যা ও বানোয়াট কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রচার করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

লক্ষিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও দোয়ারাবাজার উপজেলার আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক আমিরুল ইসলাম জানান, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজির আলম থানায় আসার পর আইনশৃঙ্খলার উন্নতির পাশাপাশি ঘোষ দুর্নীতি কমেছে। যারা উনার বিরুদ্ধে বানোয়াট তথ্য লিখে আমি নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান জসিমউদদীন আহমদ রানা ও দোহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ার মিয়া আনু জানান, যে কোন সময়ের চেয়ে দোয়ারাবাজার থানার (ওসি) একজন ভালো ও ন্যয় পরায়ণ কর্মকর্তা। 

পান্ডার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফতেফুল ইসলাম জানান, (ওসি) নাজির আলম সাহেব দোয়ারাবাজার থানায় আসার পর থেকে চুর ডাকাত, টাউট বাটপার কমেছে। বর্তমানে টাউট বাটপাররাই উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালায়। 

প্রবীণ সাংবাদিক এম এ করিম লিলু বলেন, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নাজির আলম একজন সাধারণ মানুষের প্রকৃত সেবক। তিনি আসার পর থেকে থানায় ঘোষ দুর্নীতি কমেছে। মামলাও জিডি করতে থানায় টাকা লাগেনা তাই সবার নিকট তিনি জনপ্রিয়ও মানবীয় পুলিশ হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছে।

দোহালিয়া জমিদার বাড়ির কর্ণদার দেওয়ান তানভীর আশরাফী চৌধুরী বাবু জানান, আমাদের দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ খুবই ভালো ও ন্যায় পরায়ণ কর্মকর্তা।     

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বশির আহমদ বলেন, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হওয়ায় আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান্দের সাথে চমৎকার সম্পর্ক রাখেন, কথিত সাংবাদিক মুন্না মিথ্যা অপপ্রচারের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

এবং সে কোন প্রেসক্লাবের সদস্য ও নয়। 

 

যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক নুরুল আমিন ও সেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান রুবেল বলেন, ওসি সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানাই।                    


মান্নার গাঁও ইউপি সদস্য আজাদ মিয়া, সাব্বির আহমদ ও আকিক মিয়া জানান, দোয়ারাবাজার অফিসার ইনচার্জ করোনা কালিন সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিটা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাষ্ক বিতরণে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। প্রতিটা ইউনিয়নে বিট পলিশিং করে মাদক চোরাচালান জুয়া বন্দ সহ আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করেছে। আমরা মিথ্যা অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। 

বোগলাবাজার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, ভালো মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে, চাঁদাবাজির লাইসেন্স নিতে চায় কথিত ফেইসবুক সাংবাদিক মুন্না। আমি অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।            

 

এছাড়াও দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জের নামে মিথ্যা অপপ্রচারকারীর বিরুদ্ধে ফেইসবুকে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here