রেকর্ড পরিমাণ চাল মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২

রেকর্ড পরিমাণ চাল মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার- ফাইল ফটো
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার- ফাইল ফটো


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, এ বছর দেশে সর্বকালের রেকর্ড পরিমাণ চাল মজুদ রয়েছে। এর পরিমাণ ২০ লাখ ১ হাজার ৬০৬ মেট্রিক টন। চালের দাম বাড়ার পরও কিছু যায় আসে না।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

চাল মিল মালিক, গুদাম মালিক ও চাল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, তিন বছর পর আপনাদের কাছ থেকে নতুন শিক্ষা নিতে হবে, এই তিন বছর নষ্ট করেছি! রাজনীতিতে আমার পুরো জীবন নষ্ট হয়ে গেছে।


প্রয়োজনে চাল আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এটি আমদানি করা হবে ১০ শতাংশ শুল্ক হারে। বরোতে বাম্পার ফলন হয়েছে, আমনেরও হয়েছে, কিন্তু চালের দাম এখনও বাড়ছে, যা হাস্যকর।


বাজারে ধান-চালের অভাব নেই। তবে কেন দাম বাড়ছে তা খতিয়ে দেখতে খাদ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, মিলের মজুদ যাচাই করতে হবে, কতটি ক্র্যাশ আছে, কতগুলো সরবরাহ সপ্তাহ শেষে নিয়মিত জানাতে হবে।


তিনি আরও বলেন, মিল মালিক, ব্যবসায়ী ও গুদাম রক্ষকদের মুনাফা কমিয়ে দেশের মানুষের প্রতি মানবিক হতে হবে।


কারা ধান মজুদ করছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কারো অবৈধ মজুদ আছে জেনে থাকলে আমাদের তথ্য দিন। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন- ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মিল মালিকদের পক্ষে নীরদ বরণ সাহা বলেন, বাজারে সব পণ্যের দাম বাড়ছে। উৎপাদন খরচ বাড়ছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে। হাত বদলের পর চালের দাম বাড়লেও মোকামে চালের দাম তেমন বাড়েনি। চালের দাম বাড়াচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। করোনার সময় প্রচুর অলস টাকা তৈরি হয়েছে। এ টাকা দিয়ে চাল কিনে মজুদ করা হচ্ছে। তিনি অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।


মিল মালিক বেলাল হোসেন বলেন, অপরিকল্পিত মজুদ থাকায় চালের দাম বাড়ছে। চাল ব্যবসায় অভিজ্ঞতার অভাবে তারা ধান নষ্ট করে যা জাতীয় সম্পদের অপচয়।


রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। মোসাম্মৎ নাজমানারা খানুম, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল বাতেন, আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল, রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক জিএম ফারুক পাটোয়ারী ও বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুল হক প্রমুখ।

মোঃসাইফুল্লাহ /সময় সংবাদ

Post Top Ad

Responsive Ads Here