শেরপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ফাকা গুলি | সময় সংবাদ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, এপ্রিল ০৬, ২০২২

শেরপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ফাকা গুলি | সময় সংবাদ

শেরপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ফাকা গুলি | সময় সংবাদ


আল আমিন,শেরপুর:

শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নে ডোবারচর বাজারে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ২ পক্ষের সংঘর্ষে দোকান ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ এবং উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। ৬ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০ টায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ  বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। 


পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার ডোবারচর বাজারের ব্যবসায়ী আক্রাম হোসেন লেবু ও চাঁন মিয়া মেম্বারের সাথে একই গ্রামের পন্ডিত বাড়ি এলাকার মহির উদ্দিনের ছেলে আঃ রাজ্জাক (৪০), আসাদ (৩৫), হাবিব (২৫) এর সাথে একটি সমিতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩ এপ্রিল বাকবিতান্ডার জের ধরে বুধবার সকালে আঃ রাজ্জাক, আসাদ, হাবিবসহ শতাধিক এলাকাবাসী লাঠিশোটা ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মো. চাঁন মিয়া মেম্বার, আক্রাম হোসেন লেবুর রড সিমেন্টের দোকান ও তার ভাস্তে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেনের কীটনাশক সারের দোকানে হামলা করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় এক পর্যায়ে আক্রাম হোসেনের দোকান ভাংচুর এবং মোবারক হোসেনের দোকানে অগ্নি সংযোগ করে। 

 

এঘটনায় ডোবারচর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। সেই সাথে আশরাফ চৌকিদারের ছেলে উত্তাল মিয়া (৫০), মৃত মকবুল মিয়ার ছেলে আঃ মমিন (৭০), যদু মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর (২০), শাবিজলের ছেলে আঃ রাজ্জাক (১৯), আঃ মালেকের ছেলে ইমান আলী (২৭), মজনু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন (৩৮) ও তার বড় ভাই শাবিজল (৪০) আহত হয়েছে। পরে আহতদের এলাকাবাসী উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 


খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আহাম্মদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে।  


এব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিত স্বাভাবিক রয়েছে। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 


এবিষয়ে কামারেরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দোকান ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া ও আহতের ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি এমনটাই জানান।




Post Top Ad

Responsive Ads Here