ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুর জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
শুক্রবার সকালে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মন্ত্রী এই কথা জানান।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘ফরিদপুরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। অতি প্রাচীনকাল থেকে ফরিদপুর জেলা শিক্ষা-দীক্ষায় অনেক এগিয়ে। তাই সে বিবেচনায় সরকার এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করতে চায়।’
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ঈদ ও পূজার চেয়েও বড় উৎসব পয়লা বৈশাখ। কোনো সুনির্দিষ্ট মানুষের ধর্মের উৎসব নয়, পয়লা বৈশাখ পুরো বাঙালি জাতির উৎসব। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চিত্র সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে এই পয়লা বৈশাখে। সব ধর্মের মানুষ এক হয়ে এই উৎসব অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করছে।
কলেজের অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে চারজন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে মোশাররফ হোসেন বৃত্তির অর্থ তুলে দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
এদিকে বেলা ১১টায় রাজেন্দ্র কলেজ চত্বরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বছর জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়নের ভবিষ্যৎ জনগণের ওপর নির্ভর করছে। তাই আসুন সবাই মিলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে পুনরায় শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনে এদেশকে উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞা করি।’

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ জাতির এক অনুপ্রেরণার দিন। সবচেয়ে বৃহত্তম অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন উৎসবও। আজ সর্বস্তরের মানুষ হৃদয়ের টানে, বাঙালিয়ানার টানে মিলিত হয়েছে এই উৎসবে। তাতে নেই কোনো ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ, ধনী-গরিবের বৈষম্য। উৎসবে শামিল হয়ে বাঙালি তার আপন ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক নিজস্বতা ও গৌরবময় জাতিসত্তার পরিচয়ে আলোকিত হবে। বাঙালির এ চেতনাই গোটা জাতিকে মিলিত করেছিল, মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজস্ব অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রেরণা জুগিয়েছিল।’
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সর্বসাধারণের সঙ্গে উপভোগ করেন তিনি।
ফরিদপুর জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
শুক্রবার সকালে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মন্ত্রী এই কথা জানান।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘ফরিদপুরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। অতি প্রাচীনকাল থেকে ফরিদপুর জেলা শিক্ষা-দীক্ষায় অনেক এগিয়ে। তাই সে বিবেচনায় সরকার এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় করতে চায়।’
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ঈদ ও পূজার চেয়েও বড় উৎসব পয়লা বৈশাখ। কোনো সুনির্দিষ্ট মানুষের ধর্মের উৎসব নয়, পয়লা বৈশাখ পুরো বাঙালি জাতির উৎসব। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চিত্র সবচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে এই পয়লা বৈশাখে। সব ধর্মের মানুষ এক হয়ে এই উৎসব অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করছে।
কলেজের অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে চারজন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে মোশাররফ হোসেন বৃত্তির অর্থ তুলে দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
এদিকে বেলা ১১টায় রাজেন্দ্র কলেজ চত্বরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানেরও উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বছর জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উন্নয়নের ভবিষ্যৎ জনগণের ওপর নির্ভর করছে। তাই আসুন সবাই মিলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে পুনরায় শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনে এদেশকে উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিজ্ঞা করি।’
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ জাতির এক অনুপ্রেরণার দিন। সবচেয়ে বৃহত্তম অসাম্প্রদায়িক ও সর্বজনীন উৎসবও। আজ সর্বস্তরের মানুষ হৃদয়ের টানে, বাঙালিয়ানার টানে মিলিত হয়েছে এই উৎসবে। তাতে নেই কোনো ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ, ধনী-গরিবের বৈষম্য। উৎসবে শামিল হয়ে বাঙালি তার আপন ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক নিজস্বতা ও গৌরবময় জাতিসত্তার পরিচয়ে আলোকিত হবে। বাঙালির এ চেতনাই গোটা জাতিকে মিলিত করেছিল, মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজস্ব অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রেরণা জুগিয়েছিল।’
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়ার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা প্রমুখ।
শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সর্বসাধারণের সঙ্গে উপভোগ করেন তিনি।

