স্পোর্টস ডেক্সঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছে পাকিস্তানে আর সেটি নিজস্ব স্টাইলে উদযাপন করেছে সরফরাজ আহমেদ নেতৃত্বাধীন দলটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৪৩ রানের বিশাল ব্যাবধানে জয় পেয়েছে মিকি আর্থারের শিষ্যরা। এতে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেলো তারা।
রোববার রাতে করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ক্যারিবীয়দের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রানের পাহাড় বানায় স্বাগতিকরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬০ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।
এদিন পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) চমৎকার পারফরমেন্সের জন্য দলে সুযোগ পাওয়া হুসেইন তালাত ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। এছাড়া ২৪ বলে ৩৯ রান করেন ওপেনার ফখর জামান। ২২ বলে ৩৮ রান তুলে নেন অধিনায়ক সরফরাজ। ২ বলে ১ রান করেন আরেক অভিষিক্ত আসিফ আলী।
এদিকে ১৪ বলে ৩৭ করেন অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক ও ৯ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন ফাহিম আশ্রাফ।
উইন্ডিজ বোলারদের মধ্যে অভিষিক্ত কিমো পাওয়েল, রায়াদ এমরিত ও রোভম্যান পাওয়েল নেন একটি করে উইকেট।
বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানি পেস তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয় ক্যারিবীয় টপ অর্ডার। মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ নওয়াজের বোলিং তোপে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে।
দলের হয়ে ১৯ বলে সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন ম্যারলন স্যামুয়েলস। ২০ বলে ১১ রান তুলে নেন এমরিত। আর ১৩ বলে ১০ রান করে অপরাজিত ছিলেন কিমো। এছাড়া কেউই দুই অঙ্ক পেরুতে পারেননি। এর মধ্যে চার ব্যাটসম্যান তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
স্বাগতিক বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন আমির, নওয়াজ ও মালিক। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাদাব খান, হাসান আলি ও তালাত।
অল রাউন্ড নৈপুণ্যের কারণে ২২ বছর বয়সী তালাতকে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছে পাকিস্তানে আর সেটি নিজস্ব স্টাইলে উদযাপন করেছে সরফরাজ আহমেদ নেতৃত্বাধীন দলটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৪৩ রানের বিশাল ব্যাবধানে জয় পেয়েছে মিকি আর্থারের শিষ্যরা। এতে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেলো তারা।
রোববার রাতে করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ক্যারিবীয়দের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রানের পাহাড় বানায় স্বাগতিকরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬০ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।
এদিন পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) চমৎকার পারফরমেন্সের জন্য দলে সুযোগ পাওয়া হুসেইন তালাত ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। এছাড়া ২৪ বলে ৩৯ রান করেন ওপেনার ফখর জামান। ২২ বলে ৩৮ রান তুলে নেন অধিনায়ক সরফরাজ। ২ বলে ১ রান করেন আরেক অভিষিক্ত আসিফ আলী।
এদিকে ১৪ বলে ৩৭ করেন অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক ও ৯ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন ফাহিম আশ্রাফ।
বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানি পেস তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয় ক্যারিবীয় টপ অর্ডার। মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ নওয়াজের বোলিং তোপে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে।
দলের হয়ে ১৯ বলে সর্বোচ্চ ১৮ রান করেন ম্যারলন স্যামুয়েলস। ২০ বলে ১১ রান তুলে নেন এমরিত। আর ১৩ বলে ১০ রান করে অপরাজিত ছিলেন কিমো। এছাড়া কেউই দুই অঙ্ক পেরুতে পারেননি। এর মধ্যে চার ব্যাটসম্যান তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
স্বাগতিক বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন আমির, নওয়াজ ও মালিক। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাদাব খান, হাসান আলি ও তালাত।
অল রাউন্ড নৈপুণ্যের কারণে ২২ বছর বয়সী তালাতকে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ঘোষণা করা হয়।

