বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি:নাটোরের বড়াইগ্রামে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা ও মুক্তিযোদ্ধা সহ বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল ক্দ্দুুসকে দায়ী করে মিথ্যাচার ও আ.লীগের ১৭ নেতা-কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার দুপুরে বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার সহ অপ-রাজনৈতিক চর্চা বন্ধের দাবি জানান।
বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ইয়াকুব আলী হিরার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য পেশ করেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. মিজানুর রহমান মিজান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, গত ১৫ আগষ্ট বড়াইগ্রাম পৌর চত্বরে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে রোলভা নামক স্থানে আতর্কিত মামলার শিকার হন চান্দাই ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান জিন্নাহ সহ তার কয়েকজন সহযোগী। এ হামলার ব্যাপারে নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের ৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সফল প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসের ইন্ধন রয়েছে এবং আ.লীগ নেতা শেখ ইয়াকুব আলী হিরা ও মাহফুজুর রহমানের তত্ত¡াবধানে তাদের অনুসারীরা হামলা করেছে মর্মে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তা নিছক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও এর ঘৃণ অপচর্চা মাত্র। মূলতঃ আগামী সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আগে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ, গুণী ও জনপ্রিয় সংসদ সদস্যকে কীভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় তারই অপচেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষ। তিনি এই হিংসাত্মক রাজনীতি পরিহার করে সংশ্লিষ্টদের সুষ্ঠু ও আতœ-সংঘাতহীন রাজনীতি চর্চায় ফিরে আসার আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান নগরের নিলুফার ইয়াসমিন ডালু, জোনাইলের তোজাম্মেল হক, বড়াইগ্রামের মোমিন আলী, গোপালপুরের ছালাম খান, চান্দাই এর আনিসুর রহমান সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতা ও কর্মীরা।
উল্লেখ্য, বড়াইগ্রাম পৌর যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাবর গত ২০ আগষ্ট বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৫ আগষ্ট বিকেল ৪টার দিকে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে এমপি’র নির্দেশে সাইফুল ইসলাম মেম্বার ও সাইদুল ইসলাম সহ তার ক্যাডার বাহিনী আতাউর রহমান জিন্নাহ সহ মোটরসাইকেল বহরের উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় ১০ জন আহত ও ১০ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়।

