পাহাড়-সমতলে নিরাপদ জনপদ ও সড়কের দাবিতে রাঙামাটিতে মৌন প্রতিবাদ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, আগস্ট ০৬, ২০১৮

পাহাড়-সমতলে নিরাপদ জনপদ ও সড়কের দাবিতে রাঙামাটিতে মৌন প্রতিবাদ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

মহুয়া জান্নাত মনি,রাঙামাটি প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়িতে স্কুলছাত্রী কৃত্তিকা ত্রিপুরার ধর্ষক ও হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ বিচারের দাবি ও পাহাড়-সমতলে নিরাপদ জনপদ ও সড়কের দাবিতে রাঙামাটিতে মৌন প্রতিবাদ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সন্ধায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রামের নারীবাদী সংগঠন ‘‘নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ আন্দোলন’’র উদ্যোগে  মৌন প্রতিবাদ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মৌন প্রতিবাদ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন কর্মসূচিতে নারী হেডম্যান কার্বারী নেটওয়ার্ক, সার্পোটিং পিপল এন্ড রিবিল্ডিং কমিউনিটিস সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

কর্মসূচিতে চাকমা চীফ সার্কেলের সহ-ধর্মীনি রানী ইয়েন ইয়েন, মানবাধিকার কর্মী অধ্যাপক নিরুপা দেওয়ান, পার্বত্য চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান, নারী নেত্রী টুকু তালুকদার, এ্যাভোকেট সুসমিতা চাকমা, প্রবীণ সাংবাদিক সুনীল দে, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)’র সভাপতি অমলেন্দু হাওলাদারসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।

কৃত্তিকা ত্রিপুরার হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, পাহাড়ে-সমতলে অব্যাহত নারী, কিশোরী ও শিশু ধর্ষন হত্যা, নির্যাতনের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত একই সাথে ঢাকায় বেপোয়ারা বাস চালক দ্বারা দুজন কলেজ শিক্ষার্থী হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি, বিচারহীনতার সংস্কৃতি হতে মুক্তিসহ ‘‘বন্ধ করো বিচার হীনতা, বন্ধ হোক নারীর প্রতি সহিংসতা’’ ইত্যাদি স্লোগানে ব্যানার-ফেস্টোন নিয়ে কর্মসূচিতে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই রাতে দীঘিনালার নয় মাইল নামক এলাকায় বাসার সামনে একটি সেগুন বাগান থেকে কৃত্তিকা ত্রিপুরার (১১) মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারনা তাকে ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে ঢাকায় বেপোয়ারা বাস চালক দ্বারা গত ৩১জুলাই শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির আবদুল করিম এবং একাদশ শ্রেণির দিয়া খানম মিম নামের দুজন কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়।

এর আগে কর্মসূচির শুরুতে স্কুলছাত্রী কৃত্তিকা ত্রিপুরার ও বেপোয়ারা বাস চালক দ্বারা রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের নিহত হওয়া দুজন শিক্ষার্থীর আত্মার শান্তি কামনা এবং বাংলাদেশের চলমান পরিস্থির উপর মৌন প্রতিবাদ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হিসেবে ২০ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

Post Top Ad

Responsive Ads Here