দোয়ারায় ব্রীজের দাবী জানিয়েছে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১৯

দোয়ারায় ব্রীজের দাবী জানিয়েছে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী

হারুন-অর-রশিদ,দোয়ারাবাজারঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের খাসিয়ামারা নদীর উপরে বাঁশের সাকোই একমাত্র পাড়াপারের ভরসা।

 সাঁকোটি বক্তারপুর(ইদ্রিছপুর) ও পশ্চিম পাড়ে চকিরঘাট গ্রামে বাজারের পাশে অবস্থিত প্রায় ৬০ মিটার বাঁেশের সাঁকো, নদীতে আরেকটি সাকো রয়েছে পুর্বপাড়ে ভাঙ্গাপাড়া গ্রাম ও পশ্চিম পাড়ে মাটগাঁও গ্রাম ওখানেও রয়েছে প্রায় ৭০ মিটারের বাঁশের সাঁকো। মাজামাঝি এলাকায় একটি ব্রীজ স্থাপন করা হলে অত্র এলাকার জন সাধারণেন চলাচলের সুবিধা হত। ভারতের খাসীয়াপুঞ্জি অঞ্চলের মেঘালয়ের পাদদেশ সীমান্ত থেকে আসা নদীটি বাংলাদেশের দুইটি ইউনিয়ন লক্ষিপুর ও সুরমা ইউনিয়নের উপরদিয়ে সুরমা নদীতে মিলিত হয়েছে। লক্ষিপুর ইউনিয়নের লিয়াকতগঞ্জ বাজারের উজানে খাসিয়ামারা নদীর উজানে বাঁশের তৈরী দুইটি সাঁকো রয়েছে ঐ এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র ভরসাস্থল বাঁশের সাঁকো। এই দুইটি ঘাঠ প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে লীজ নেয় ইজারাদার, একেকটি বাঁশের সাঁকোতে সারে তিনশ থেকে চারশত বাঁশ, ৪০/৫০ ঘনফুট কাট ও প্রায় দুইমন প্লাষ্ঠিকের সুতলি লাগে সাঁকোটি তৈরী করতে। সাঁকো তৈরী করতে প্রতি বছর এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা ব্যায় হয় আর চৈত্র-বৈশাখ মাসের যে কোন সময় আকষ্মীক পাহাড়ি ঢলের শ্রোতের ভেসে যায় সাঁকোটি কোন অস্থিস্ত খোজে পায়না ইজারাদার। নদীর দুই পাড়ে রয়েছে কয়েকটি গ্রাম বিশেষ করে নদীর পুর্ব পাড়ের কয়েক গ্রামের কোমল মতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ায় অসুবিধার সম্মোখিন হতে হয় বারমাস। নদীর পশ্চিম পাড়ে রয়েছে কলেজ সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো হল লক্ষিপুর মুক্তিযুদ্ধা ক্যাপটেন হেলাল খসরু উচ্চ বিদ্যালয়, লিয়াকতগঞ্জ স্কুল ও কলেজ, লিয়াকতগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, চামতলা দাখিল মাদ্রাসা, ব-ভার্ড একাডেমি, আল-ফালাহ একাডেমি সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীর পশ্চিম পাড়ে। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে নদীটি পানিতে ভরপুর থাকে ঐ সময়ে নদীর উপর বাঁশের সাঁকো রাখা যায়না। আর সুকনো মৌসুমে এলাকার বোর ফসল ফলানোর জন্য রাবারডাম্প ফোলানোহয়, ফলে বর্ষা মেীসুমের ন্যায় সুকনো মৌসুমেও পানি থাকে ভরপুর। নদীতে থাকে প্রচন্ড শ্রোত এরি মধ্যে বিদ্যালয়ে যাবার জন্য জীবন বাজি রেখে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের পারাপাড় হতে হয় নৌকা যোগে। নদীর পুর্ব পাড়ে রয়েছে বক্তারপুর, ইদ্রিছ পুর,বাগমারা,ভাঙ্গাপাড়া,নোয়াডর বহরগাঁও,সহ সীমান্তবর্তী  বোগলাবাজার ইউনিয়ন, বাংলাবাজার ইউনিয়ন ও নরসিংপুর ইউনিয়নের লোকজন লিয়াকতগঞ্জ বাজার, চকবাজার, হালোয়ারঘাট হয়ে জেলা সদরে যাবার জন্য ফাঁড়ি পথ হিসেবে বেছে নেয় ঐ রাস্থাটি। 
লক্ষিপুর মুক্তিযুদ্ধা ক্যাপটেন হেলাল খসরু উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার ও লিয়াকতগঞ্জ স্কুল ও কলেজের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বক্তারপুর গ্রামের শারমিন আক্তার বলেন, বর্ষা মৌসুমে নদীতে বাঁেশের সাঁকো থাকেনা বৃষ্টি বাদলের দিনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চোট নৌকায় পাড়া পাড় হতে হয়। তাই আমাদের একটাই দাবী এই নদীর উপর দ্রুত সময়ে একটা বীজ দেয়া হোক। 
এলাকার বিশিষ্ঠ সমাজসেবক রাবারড্যাম্প পানি ব্যাবস্থাপনা সমিতির সভাপতি আনফর আলী ও মোস্তফা মিয়া (মোহরী) বলেন, বর্ষা মৌসুমে নদীতে অধিক বেগে পাহাড়ি ঢলে শ্রোতের পানিতে ভরপুর থাকে আর সুকনো মৌসুমে  বোর ফসল ফলানোর জন্য রাবারড্যাম্পের রাবার ফোলানোর পর আবার পানিতে ভরপুর থাকে নদীটি তাই আমাদের এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য বারমাস দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আমাদের এলাকাবাসীর দাবী বক্তারপুর ও বাজারের পাশে চকিরঘাট গ্রাম এলাকায় দ্রæত সময়ে ব্রীজটি স্থাপরন করা হলে অত্র এলাকার জন সাধারণ ও কোমল মতি শিক্ষার্থী চলাচলের সুবিধা হত।
এব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীর প্রতীক বলেন, বাজারের পাশে সুবিধাজনক স্থানে জনসাধারণের পারাপাড়ের জন্য একটি ব্রীজরে প্রস্থাবনা পাটানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ে ব্রীজের বরাদ্ধ সহ কাজের অনুমোদন আসবে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here