ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী:
রাজশাহী চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি যথাস্থানে ঝুলানো হয়নি, যা বাস্তবে অসম্মান বা অবমাননার সমতুল্য। র্দীঘদিন যাবত পূরাতন ফ্রেমে বাঁধা দুটি ছবি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র টয়লেটের পাশের দেয়ালে ঝুলিয়ে রেখেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তৃপক্ষ। সেই সুযোগে চূড়ই পাখিও বাসা বেঁধেছে ওই ছবির পিছনে। আজ অবদি কর্তৃপক্ষের নজরে পরেনি ছবিটির সংস্কারের কথা।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিষয়ক যে কোন সরকারী কর্মসূচী বা অনুষ্ঠান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপি, আ’লীগ নেতা কর্মী এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি গোচর হয়নি বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবির অবস্থানের কথা।
ক্ষমতা আর ব্যাক্তিগত ফায়দার খেলার প্রতিযোগিতায় সবায় যেন তুচ্ছ। মন থেকে যখন একটি দেশ, জাতি এবং তার দলের নেতা কর্মীদের উৎর্সগ করে দেয়ার সব স্মৃতীগুলো গঙ্গা জলে ভাসিয়ে দেয় তখন তার প্রতিচ্ছবির কথা গুলো অতিত এটায় সাভাবিক।
“যে কাউকে সম্মান করতে জানে না সে সম্মান পাওয়ার আশাও করতে পারে না, তদুরুপ গুনির কদর যে করে না সে নেতা বা এমপি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না” সরকারী উদ্দ্যেগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবির স্থাপনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আদৌকি দেশের আ’লীগ সর্মথকরা অন্তরের অন্তর স্থল থেকে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি সম্মান দিচ্ছে কি? এবিষয়টি বর্তমান সময়ের জন্য যুগপযোগী।
বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগে জাতী পেয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশ তার সুযোগ্য কণ্যা জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার মহৎ উদ্দ্যোগে টেকশয় উন্নয়নে এদেশে এগিয়ে যাচ্ছে। পরির্বতন এসেছে সকল দপ্তরে। অথচ সরকারী দপ্তর গুলো অনেক পুরাতন এবং জরর্জীণ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি ঝুলিয়ে রাখছে। এই প্রমান বহন করছে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে টয়লেটের পাশে পুরাতন ও জরার্জীণ বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি।
গত সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃক আয়োজিত হাম-রুবেলা বিষয়ক অবহিতকরণ সভার ছবি তুলতে গিয়ে এই পত্রিকার সাংবাদিকের চিত্রযন্ত্রাংশে ফ্রেম বন্দি হয় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবি যা ওই কক্ষের টয়লেটের দেয়ালে সাথে ঝুলানো আছে। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আ’লীগ সম্পাদক ফকরুল ইসলাম কে জানালে তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা আশিকুর রহমানকে ছবিটি যথাস্থানে ঝুলানোর পরামর্শ দেন। ওই সময় ইউএনও সৈয়দা সামিরা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজমিরা খাতুন, ডাক্তার আতিকুর রহমান, আরএমও ডাক্তার মোজ্জামেল উপস্থিত ছিলেন। এই সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পূর্ব মহুত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিচ্ছবির অবস্থান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র টয়লেটের পাশের দেয়ালে ঝুলানো ছিল।

