করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাবে না বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। একইসঙ্গে ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে সরকার, মালিক-শ্রমিক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ- টিসিসি’র ৬৪তম সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন তিনি। টিসিসির সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো কারখানা লে-অফ করা যাবে না। অর্থনীতির গতি সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক মালিকরা কারখানা চালু করতে চাইলে অবশ্যই কঠোরভাবে স্বাস্থ্য বিধিমালা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতর, সংস্থা যেমন- শিল্প পুলিশ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
এ সময় তিনি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, কারখানা চালু রাখার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি আগে দেখতে হবে।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রেজাউল হকের সঞ্চালনায় সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, শ্রম অধিদফতরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন- বাংলাদেশ এমপ্লোয়্রাস ফেডারেশনের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএ এর সভাপতি ড. রুবানা হক, বিকেএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি হাতেম আলী, বাংলাদেশিয় চা সংসদের চেয়ারম্যান শাহ আলম, গ্রামীণ ফোন লিমিটেডের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা তানভির হোসাইন, আইএলও প্রতিনিধি মুনিরা সুলতানা, জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি শিরিন আখতার এমপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।
সময়/আন্ত/রাজ

