সময় সংবাদ ডেস্ক//
ঢাকা মহানগর ডিবি’র প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেছেন, আমাদের চোখের সামনে যেগুলো প্রতারণার কথা শুনছি। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের প্রতারণা শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয় আরো অনেক অভিযোগ আছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।
অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, আদালতে পৌঁছানোর আগেই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাহেদের স্বীকার করেছে; কোটি কোটি টাকা উপার্জনের জন্য এসব প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল সে।
তিনি আরো জানান, সাহেদের হাসপাতাল থেকে বেশ কিছু মেশিন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমরা সেগুলো উদ্ধার করার চেষ্টা করছি। সেখান থেকেও নতুন একটি প্রতারণার সূত্র পাওয়া যেতে পারে। রিমান্ড শেষে তার প্রতারণার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
এদিকে করোনার নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ এবং ওই হাসপাতালের এমডি মাসুদ পারভেজকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এছাড়া সাহেদের আরেক সহযোগী তারেক শিবলীকে ফের সাতদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। তার পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে ফের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়।
এর আগে ডিবির পুলিশ পরিদর্শক গাফফারুল আলম সাহেদ, মাসুদ পারভেজ ও তারেক শিবলীকে আদালতে হাজির করে তাদের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। উনি উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের হওয়া প্রতারণা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল বুধবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে আটক করে ঢাকায় আনার পর রাতে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি হাজতখানায় রাখা হয়।

