সময় সংবাদ ডেস্ক//
যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) ভেতরে তিন কিশোর নিহতের ঘটনায় মামলায় কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়কসহ পাঁচজনসশয় কে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করেছিলেন নিহত কিশোর পারভেজ হাসান রাব্বির বাবা রোকা মিয়া।
গ্রেফতাররা হলেন- তত্ত্ববধায়ক (সহকারী পরিচালক) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মাসুম বিল্লাহ, সাইকো সোস্যাল কাউন্সিলর মুশফিকুর রহমান, ফিজিক্যাল ইন্সট্রাকটর শাহানূর এবং ওমর ফারুক।
যশোরের এসপি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, ৯ জনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এ কারণে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
শুক্রবার রাতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করে যশোর কোতয়ালি থানায় মামলাটি করেন নিহত পারভেজ হাসান রাব্বির বাবা রোকা মিয়া। তিনি খুলনার দৌলতপুর উপজেলার মহেশ্বরপাশা পশ্চিম সেনপাড়ার বাসিন্দা।
এর আগে, শুক্রবার বিকেলে যশোরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) ভেতরে তিন কিশোর নিহত ও ১৪ জন আহতের ঘটনায় কেন্দ্র তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল্লাহ আল মাসুদসহ ৯ কর্মকর্তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া ঘটনার তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদফতর।
৩ আগস্ট যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কিশোরদের দুই গ্রুপের মারামারি হয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ওই ঘটনায় জড়িত ১৮ জনকে চিহ্নিত করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তাদের মারধর করে আনসার সদস্য ও কয়েকজন কিশোর।
নিহতরা হলেন- বগুড়ার শিবগঞ্জের তালিবপুর পূর্বপাড়ার নান্নু প্রামাণিকের ছেলে নাঈম হোসেন, শেরপুর উপজেলার মহিপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম নুরুর ছেলে রাসেল ওরফে সুজন, খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা পশ্চিম সেনপাড়ার রোকা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি।

