![]() |
| চরভদ্রাসন বাজারে ব্যস্ত নরসুন্দর |
নাজমুল (নিজস্ব প্রতিবেদক) সময় সংবাদ ডটকমঃ
মানুষকে দেখতে সুন্দর করা যাদের কাজ, তারাই নরসুন্দর। আমরা যাকে বলি নাপিত। এরকম নরসুন্দর বা নাপিতরা চুলকে সুন্দর করে কেটে নরকে(মানুষকে) সুন্দর করে তুলে।
চরভদ্রাসন উপজেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে হাট-বাজারে পিঁড়িতে বসা ‘হাঁটুরে' সেলুন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে এসব সেলুন। আর কাজ না পেয়ে এখানকার নরসুন্দরদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ করোনা মহামারীর সময়টাতে এদের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। রাস্তার ধারে, ফুটপাতে বসতে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ ও মানুষের মধ্যে করোনার ভয় এবং আধুনিক সভ্যতার পরিবর্তন সবমিলিয়ে এই নরসুন্দরদের অবস্থা ভাটির দিকে। তবে ঘর সেলুনের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক।
![]() |
| চরভদ্রাসন বাজারে এক নরসুন্দর |
চরভদ্রাসন উপজেলার বাজার সৃষ্টিলগ্ন থেকে এখানে কিছু হিন্দু নরসুন্দর চুল কেটে জীবিকা নির্বাহ করতো। এখন এখানে একজন নরসুন্দরের দেখা মেলে। অনেকে মারা গেছে অনেকে আবার পেশা পরিবর্তন করেছে।
আধুনিক সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গতিধারায় এসেছে পরিবর্তন। লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। তাই এখন হাটে-বাজারে বটবৃক্ষের ছায়ায় খেয়াখাটে, ফুটপাতে কিংবা গ্রামগঞ্জের জল চৌকিতে বা ইটের উপরে সাজানো পিঁড়িতে বসে নাপিতের কাছে গ্রামবাংলার মানুষের চুল দাঁড়ি কাটার সেই আদি দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। তবে চরভদ্রাসন উপজেলার পোস্ট অফিসের পাশে কিছুটা দেখা মেলে এ দৃশ্যের।


