রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীতে আর্ন্তাজাতিক ইউএন শান্তিরক্ষা দিবস উদযাপন হয়েছে। দুটি বিশ^যুদ্ধের কারনেই ইউএন মিশন গঠিত হয়েছে। ১৯০টি দেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অর্ন্তভুক্ত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশ আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে সর্বচ্চ সুনাম অর্জন করেছে। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। এই শান্তি মিশনের মাধ্যমে প্রতি বছর ১৫০ মিলয়ন ডলার রেমিটেন্স এদেশে আসছে বলে জানান, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এআইজিপি) অব পুলিশ খন্দকার গোলাম ফারুখ।
করোনা প্রার্দুভাবের কারনে ছোট পরিশরে শনিবার সকালে রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গনে আর্ন্তাজাতিক ইউএন শান্তিরক্ষা দিবস পালন করা হয়েছে।রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিাক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক অব পুলিশ খন্দকার গোলাম ফারুখ। সাদা কুবুতর এবং বেলুন উড়িয়ে দিবসটির সূচনা করেন প্রধান অতিথি।
ওই সময় রাজশাহী রেঞ্জ এর অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার, রাজশাহী র্যাপিড এ্যাকশান ব্যাটালিয়ান (র্যাব-৫) এর সিও ল্যাফটিনেন্ট কর্নেল জিয়াউর রহমান, বিঅরসি এর মেজর আহছান হাবিব জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশ সেনাবহিনী এবং পুলিশের সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম এর বিবরণ দেন। ১৯৮৮ থেকে এই পর্যন্ত ৭১টি মিশন সমাপ্ত করেছে এদেশের সেনা ও পুলিশ সদস্যরা। শান্তি রক্ষা করতে গিয়ে এদেশের সেনাবহিনীর ১৩০ জন এবং পুলিশের ১২২জন সদস্য শহিদ হয়েছেন। এতোমধ্যে ৭হাজার সেনা ও পুলিশ সদস্য মিশন শেষ করেছে। পরিশেষে মিশনে শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের রূহের মাগফেরাত কমানা করা হয়।

