রাজশহীতে ১ মাসে নারী , শিশু নির্যাতনের সংখ্যা ১৫ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, মে ১২, ২০২১

রাজশহীতে ১ মাসে নারী , শিশু নির্যাতনের সংখ্যা ১৫


 


 রাজশাহী প্রতনিধিঃ


প্রতিনিয়িত নারী ও শিশু নির্যাতনের হার ক্রমশয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারী দপ্তরের পাশাপাশি বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে নানা উদ্যেগ নিয়ে কাজ করছে। প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন প্রচার প্রচারণাসহ কঠোর হাতে অভিুযুক্তদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করছে। 


রাজশাহী জেলা প্রশাসন, জেলা ও নগর পুলিশ বিভিন্ন অপরাধ ধমনে কাজ করছে। রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল বাতেন, আরএমপি পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকি, পুলিশ সুপার মাসুদ হোসেন বিভিন্ন অপরাধ দমনে কাজ করছেন। কঠোর হাতে নারী ও শিশু নির্যাতনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিগত দিনের তুলনায় অপরাধের সংখ্যা অনেকাংশে কম। জেলা ও নগরের সংশ্লিষ্ট এলাকর রাজনৈতিক, শিক্ষক, সচেতন নাগরীকদের সহযোগিতা পেলে এই শহরকে অপরাধ মুক্ত শহর হিসাবে ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ।   



রাজশাহী মহানগরী ও জেলার ৯টি উপজেলায় শুধু এপ্রিল মাসে ১৫টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। রাজশাহীর বেসরকারী উন্নয়নসংস্থা ‘এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট-এসিডির তথ্য জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে নারী নির্যাতন হয়েছে ১২টি ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ০৩টি। 



যার বিস্তারীত অনুসন্ধানে জানাযায়, এপ্রিল মাসের নারী ও শিশু নির্যাতনের আলোচিত ঘটনা ছিল ০৪ এপ্রিল চারঘাটে শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ০৬ এপ্রিল রাজশাহীতে র‌্যাব সদস্যের স্ত্রীর আত্যহত্যা, ১৪ এপ্রিল পুঠিয়ায় ১২ দিন ধওে তরুণী নিখোঁজ, একই তারিখে বাঘায় দুপক্ষের সংধর্ষে নারী আহত, ১৭ এপ্রিল বাঘায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক, ১৮ এপ্রিল বাঘায় গৃহবধূও আত্যহত্যা, ২০ এপ্রিল তরুণীকে হত্যাকরে ড্রামে ভরে ফেলে আসে পুলিশ কনস্টেবল, একই তারিখে বাঘায় মায়ের সামনে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ চেষ্টা, ২৬ এপ্রিল প্রভাবশালীদেও অত্যাচারে বাগমারায় গ্রাম ছাড়া কয়েকটি পরিবার এবং ওই তারিখে বাঘায় গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে।



প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও এনজিও’র তথ্য মতে সকল প্রকার অপরাধের চেয়ে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের সংখ্যা ক্রমশয় বেড়ে চলেছে। এই জগন্নতম অপরাধ থেকে পরিত্রান না হলেও অপরাধের সংখ্যা কমানো সম্ভব। মানব দেহে খাদ্যের যেমন চাহিদা আছে তার প্রতিকার করার জন্যও আয়ের প্রয়োজন আছে। যার নিয়ম মাফিক একজন মানুষের ৩বেলা খাবারের দরকার হয়। তেমনি প্রতি বেলায় খাবারের মেনুর পরিবর্তন রয়েছে। একইভাবে একজন শিশু তার বেড়ে উঠাকে কেন্দ্র করে তার পরিবারের নানামুখি কর্মষুচি হাতে নিতে হবে। মানুষের শ্রেনী বিন্যাশে তার সামাজিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেকে অধিকতর সচেতন হতে হবে। সঠিক সময়ে শিশুর কৈশর থেকে তরুন ও যুবক হওয়া পর্যন্ত পরিচর্যায় যথেষ্ট যতœবান হতে হবে। একটি ফল গাছের সঠিক পরিচর্যার ফলেই রোগ মুক্ত ভাল ফলনের আশা করা যায়, একই ভাবে শিশু ও নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে একই সূত্র প্রয়োগ করে বিভিন্ন অপরাধ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।     

Post Top Ad

Responsive Ads Here