সময় সংবাদ ডেস্কঃ
আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটিতে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে লকডাউনের সময় কর্মজীবীদের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আগের শর্তে আগামী ৫ মে মধ্যরাত থেকে ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।
দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে প্রথম দফায় গত ৫ এপ্রিল এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি করা হয়। ওই বিধিনিষেধের ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হয়, যা চলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। সেটি পরে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এরপর আবার তা ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়, যা আবার বাড়ল।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটিতে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে লকডাউনের সময় কর্মজীবীদের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আগের শর্তে আগামী ৫ মে মধ্যরাত থেকে ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।
দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে প্রথম দফায় গত ৫ এপ্রিল এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি করা হয়। ওই বিধিনিষেধের ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হয়, যা চলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। সেটি পরে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এরপর আবার তা ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়, যা আবার বাড়ল।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটিতে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে লকডাউনের সময় কর্মজীবীদের নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আগের শর্তে আগামী ৫ মে মধ্যরাত থেকে ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।
দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে প্রথম দফায় গত ৫ এপ্রিল এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি করা হয়। ওই বিধিনিষেধের ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হয়, যা চলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। সেটি পরে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এরপর আবার তা ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়, যা আবার বাড়ল।

