জেলেরা গভীর সমুদ্রে গিয়ে পাচ্ছেনা ইলিশের দেখা - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ০৫, ২০২১

জেলেরা গভীর সমুদ্রে গিয়ে পাচ্ছেনা ইলিশের দেখা



কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:

  উপকূলীয় জেলেরা ভরা মৌসুমে বুক ভরা আশা নিয়ে সমুদ্রে গেছে ইলিশ শিকারে। কিন্তুইলিশের দেখা পায়নি কোন ট্রলার। সাগর চষে ইতোমধ্যে কয়েকটি ট্রলার ঘাটে ফিরছে খালি হাতে। দীর্ঘ ৬৫ দিনের অবরোধের পর সমুদ্রে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পরার স্বপ্ন ছিলো জেলেদের। কারো জালেই বড় ইলিশ ধরা পরেনি। সামান্য কিছু ছোট সাইজের ইলিশ পেয়েছে কয়েকটি ট্রলার। তাতে বাজার খরচ ওঠেনি কারো। তারপরও লোকশানের বোঝা মাথায় নিয়ে ফের সমুদ্রে যাচ্ছে ফিরে আসা ট্রলারগুলো।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৬৫দিনের অবরোধ শেষ হয়েছে গত ২৩ জুলাই। ২৪ জুলাই জেলেদের সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যাওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে যেতে পারেনি। এরপর গত ২৭-২৮ জুলাই মাছ ধরা ট্রলারগুলো সমুদ্রে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন ট্রলারই ইলিশের সন্ধান পায়নি।  দুই লক্ষ টাকার বাজার নিয়ে ৭ দিন সমুদ্রে চষে ইঞ্জিণের ত্রæটি নিয়ে ঘাটে ফিরছে এফ.বি জিহাদ নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার। ১৬ কেজি ইলিশ, ৪টি গোলপাতাসহ সামান্য কিছু টোনাফিস নিয়ে ঘাটে ফিরে ৪০ হাজার টাকা বিক্রয় করেছেন। বুধবার শেষ বিকেলে দেশের দক্ষিণ অ লের অন্যতম মৎস্যবন্দর আলীপুর আড়ৎ পল্লীতে কথা হয় ট্রলারের মাঝি আ: জলিলের সাথে। চোখে মুখে হতাশার ছাপ নিয়ে তিনি বলেন, ৬৫ দিনের অবরোধ শেষে বড় আশা নিয়ে সমুদ্রে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফিরে এসে ৪০ হাজার টাকা বিক্রয় করেছি। ট্রলারের ১৮ জন জেলের পরিবার কেমনে চলে। 


আলীপুর ঘাটে এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় এফ.বি. তাওহীদ নামের মাছ ধরা ট্রলারের মিস্ত্রি জাকির হোসেনের সাথে তিনি বলেন, দেড় লক্ষ টাকার বাজার নিয়ে গেলাম সমুদ্রে, মাছ বিক্রয় করলাম ৫৫ হাজার টাকা। এই লসের  (লোকসান) বোঝা মাথায় নিয়ে আবার সমুদ্রে যাবো। রোববার রাতে দেড় লক্ষ টাকার বাজার সওদায় নিয়ে পাথরঘাটা ঘাট থেকে সমুদ্রে যায় এফ.বি.তাওহীদ নামের একটি মাছ ধরা ট্রলার। দুই দিন সমুদ্র চষে ইি ণের নাট ভেঙ্গে আলীপুর ঘাটে এসে ৫৫ হাজার টাকার ছোট সাইজের ইলিশ বিক্রয় করেছে। 


ট্রলার মালিক জালাল মুন্সী এ প্রতিনিধিকে জানায়, আমার একটি ট্রলার সমুদ্রে আছে। গত সাত দিনে ১০টি ইলিশ পেয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ট্রলার বিক্রয় করা ছাড়া উপায় থাকবে না।


মৎস্য ব্যবসায়ী মো: লুনা আকন গনমাধ্যমকে বলেন, আড়ৎ পল্লীর আড়ৎদাররা তাদের স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে বর্তমানে ব্যবসা ঠিক রাখছেন। এখন মাছ না পেলে পালিয়ে এলাকা ছাড়তে হবে।


মহিপুর মৎস্য বন্দর আড়ৎ সমবায় সমিতির সভাপতি দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম সাংবাদিকদের বলেন, সমুদ্রে জেলেদের জালে কোন ইলিম মাছ পাওয়া যায় না। যা পাওয়া যায় তা ছোট আকারের অল্প কয়েকটি মাছ। আমরা মৎস্য ব্যবসায়ীরা হতাশ।




Post Top Ad

Responsive Ads Here