সময় সংবাদ ডেস্কঃ
বিএনপির দলীয় কর্মীরাই বলছেন, লন্ডনে বিকল্প হাওয়া ভবনে দলের রিমোট কন্ট্রোল থাকলে নেতাকর্মীদের বিরোধ মিটবে কীভাবে? নাম-পরিচয়বিহীন লোকরা দলে এসেই কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় পদ বাগিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া তারেক রহমানের উপদেষ্টা হয়ে শান্তিপূর্ণ দেশে বসে খবরদারি করারও সুযোগ মিলছে। আর এতসব সুযোগ-সুবিধা পেলে কর্মীরা রাজপথে নামবে কেন?
তারা আরো বলেন, রাজপথে নামার চেয়ে লন্ডনে বিকল্প হাওয়া ভবনের সদস্যদের দালাল হতে পারলেই চলে। অথবা বিকল্প হাওয়া ভবনের ফুট ফরমায়েশ খাটার জন্য ভাইয়া গ্রুপে নাম লেখাতে পারলে তো আর কোনো কথাই নেই। নেতাদের ওপর খবরদারি, কাড়ি কাড়ি টাকা- সবই আসবে। মামলা, হুলিয়া, রিমান্ড, জেল জুলুম থেকেও দূরে থাকা যাবে। ভেতরে ভেতরে স্লোগান উঠছে ‘ভাইয়া গ্রুপে নাম লেখাও-রাজপথ ছেড়ে দাও’।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, যারাই এ ‘হাওয়া ভবনের’ আশীর্বাদ পেয়েছে, তারাই রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। এমনই একজন আবদুর রহমান সানী। লন্ডনে যিনি বিএনপির অঘোষিত চীফ এক্সিকিউটিভ হিসেবে পরিচিতি। জীবিকার তাগিদে লন্ডন এসে কপাল খুলে গেছে তার। অথচ অতীতে রাজনীতির কোনো সংশ্লিষ্টতাই ছিলো না। সানীর এখন টাকার অভাব নেই। যুক্তরাজ্য বিএনপির সেক্রেটারির ব্যবসায়িক পার্টনারও তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক নেতা বলেন, দেশে যেমন হাওয়া ভবন করে বিএনপিকে ডুবানো হয়েছিল, এখন লন্ডন থেকেও একই কাজ করা হচ্ছে। এভাবে দল চালানো যাবে না। ত্যাগীদের মূল্যায়ন না করলে রাজপথে আন্দোলন করবে কারা?
তিনি আরো বলেন, দফায় দফায় নির্বাচনে ব্যর্থতা, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন জমাতে না পারার পেছনে অন্যতম কারণ লন্ডনের ওই ‘দ্বিতীয় হাওয়া ভবন’।
