ওবায়দুল কাদের কথায় কথায় মিথ্যা বলার অভিযোগ করেন:আবদুল কাদের মির্জা - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১

ওবায়দুল কাদের কথায় কথায় মিথ্যা বলার অভিযোগ করেন:আবদুল কাদের মির্জা




আবু সাঈদ শাকিল নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ


শুক্রবার বিকেলে বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে তার অনুসারী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত সভাবেশে এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের কথায় কথায় কসম কাটে আর মিথ্যা কথা বলে। কাদের মির্জা আরও বলেন, রাজনীতি নীতি-আদর্শ সব বিলীন হতে চলেছে। জাতীয় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত রাজনৈতিক আদর্শ বলে কিছুই নেই। অপরাজনীতির কারণে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পরও আমার দলীয় নেতাকর্মীদের নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। বড়ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে হুমকি দিয়ে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, আপনার বিরুদ্ধে সব তথ্য-প্রমাণ লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। জায়গা মতো পৌঁছে দেব। আপনি এমন স্ত্রী নিয়ে সংসার করেন, যে কিনা আপনার মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দুর্নীতি করে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে।



এদিকে শুক্রবার বিকালে কাদের মির্জা তার অনুসারী নাজিম উদ্দিন বাদলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বসুরহাট পৌরহলে প্রতিবাদ সভা শেষে বসুরহাট বাজারে তার মুক্তির দাবিতে মিছিল করেন। এ সময় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 


উল্লেখ্য যে, এর আগে বৃস্পতিবার রাতে চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বাদলকে একই ইউনিয়নের বিজয় নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে নোয়াখালী ডিবি পুলিশ। বাদল ‘কাদের মির্জা সমর্থক’ বলে জানান আওয়ামী লীগ কর্মীরা। এরপর শুক্রবার সকালে চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব রহমান আরিফকে সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা গ্রামের সাহেবের বোনের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার। 


নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ও কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আনোয়ারকে নিয়েও অভিযোগ করেছেন কাদের মির্জা।

তিনি বলেন, নোয়াখালীর এসপি ও কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি ঢাকা ও নোয়াখালী পুলিশ লাইনে ছিল। এ অযোগ্যদের ষড়যন্ত্র করে নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


কাদের মির্জা নোয়াখালীর পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ করে বলেন, কাকে ভয় দেখাস? ১৯৮২ সাল থেকে জেল খাটছি। তোর কত বড় সাহস। তোর গুণ্ডা ওসিকে লাগিয়ে আজকে কোম্পানীগঞ্জে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছিস। কী করবি, গ্রেফতার করবি? তোর কাছে অস্ত্র আছে, আমাদের কাছে লাঠি আছে। প্রতিহত করা হবে। অস্ত্র ছেড়ে আয় দেখি কি করতে পারিস? কার হুকুমে তুই গতকাল আমার এবং আমার দুই কর্মীর ছবি এখানে ওসির কাছে পাঠিয়েছিস? আমাদের গ্রেফতার করার জন্য, এ সাহস তোকে কে দিয়েছে? তোমাকে সাবধান করে দিচ্ছি নোয়াখালীতে কোনো অপকর্ম করবে না।

তিনি বলেন,কোম্পানীগঞ্জে একরাম চৌধুরীর টাকা দিয়ে ইউএন ও এসিল্যান্ড নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে লুটপাট করছে। দেখার কেউ নেই। কাকে বলব, কে শুনবে? কি চলছে এগুলো?


প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, আমরা তো কারও আত্মীয়ও হতে পারলাম না। আমাদের অভিভাবকও নাই। আমাদের এলাকায় আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মতো নেতার জন্ম হয় নাই। এটাই হচ্ছে আমাদের দুর্ভাগ্য। তাই এখানকার সমস্যা আট মাসেও সমাধান হয়নি।

Post Top Ad

Responsive Ads Here