সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে করোনার মধ্যেই প্রকাশ্যে চলছে প্রাইভেট বানিজ্য |
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
করোনা মহামারীর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে সরকার ইতিমধ্যে ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপসহ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দিলেও বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় প্রকাশ্যে চলছে কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো বানিজ্য। এক শ্রেনির স্কুল শিক্ষক বাসা, দোকান ঘর ও বোডিংয়ের কক্ষ ভাড়া নিয়ে দেদারছে চালাচ্ছেন এই অবৈধ কারবার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগে সূর্যোদয়ের পর থেকে পর্যাক্রমে সন্ধ্যা পর্যন্ত চালায় এই কার্যক্রম। সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে গাদাগাদি করে বসে কোচিং বানিজ্যের কারনে করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা করছে সচেতন মহল।
করোনা মহামারীর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে সরকার ২০২২ সালের ২১ জানুয়ারী থেকে ফের দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও কোচিং প্রাইভেট পড়ানো নিষিদ্ধ ঘোষনা করেন। বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ থাকায় এক শ্রেনির কোচিং ও প্রাইভেট বানিজ্য করানো শিক্ষকদের হয় পোয়াবারো। তাদের আর বিদ্যালয়ে যেতে হয়না সুযোগে দিন ব্যাপি আদমদীঘি উপজেলা সদর, সান্তাহার পৌর এলাকা, চাঁপাপুর, কুন্দগ্রাম, নসরতপুর, ছাতিয়ানগ্রাম, মুরইলসহ অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক শ্রেনির অর্থলোভি শিক্ষক এই মহামারি করোনা সংক্রমনের মধ্যেই কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় না মেনে কারো নিজ ও ভাড়া বাসায় শিক্ষার্থিদের জড়ো করে গাদাগাদি বসে অবৈধ ভাবে কোচিং ও প্রাইভেট বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। স্বস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিকট কোচিং কিংবা প্রাইভেট না পড়লে সেই বিষয়ে পাশ করানো হয়না শিক্ষার্থিদের। ফলে বাধ্য হয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাছেই পড়তে হন। আদমদীঘি গালস স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক জিয়া উপজেলা পরিষদের পাশে একটি ভাড়া বাসায় কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানোর কথা স্বীকার করেন। আদমদীঘি গালস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম তালুকদার বলে প্রতিষ্ঠানের বাহিরে কোচিং কিংবা প্রাইভেট পড়ালে তার দায়িত্ব প্রশাসনের। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান, সরকারি আইন অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
