| ফাইল ছবি |
নিজস্ব প্রতিবেধকঃ
একাধিক হত্যা মামলার আসামি ইউসুফ আলী দ্বিতীয় স্ত্রীকে অপমান করায় একই পরিবারের এক নারীসহ চারজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের উচ্চ বিদ্যালয়পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, ওই গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে সজল হোসেন, স্বপন হোসেন, পতন আলী ও তার স্ত্রী মৌসুমী খাতুন। এ ঘটনায় হামলাকারী ইউসুফ আলীও আহত হয়েছেন। আহত সজল, স্বপন, পাটন ও মৌসুমীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ইউসুফ আলীকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ইউসুফ আলী প্রায় ছয় মাস আগে পালিয়ে গিয়ে একই গ্রামের হারুন অর রশিদের স্ত্রী বিউটি খাতুনকে বিয়ে করেন। ইউসুফ বর্তমানে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গাংনী উপজেলার চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়পাড়া এলাকায় বসবাস করছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিউটি খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার পতন আলীর স্ত্রী মৌসুমী খাতুনের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জেরে ইউসুফ পাটনের বাড়িতে গিয়ে মৌসুমী খাতুনকে বেধড়ক মারধর করে।
পরে মৌসুমীর স্বামী পতন আলী, ভাই সজল হোসেন ও স্বপন হোসেন তার বাড়িতে ঘটনাটি জানতে পারলে ইউসুফ আলী ধারালো অস্ত্র দিয়ে নারীসহ তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম করেন। এ সময় ইউসুফ নিজেও আহত হন। প্রতিবেশীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে একই গ্রামে একাধিক হত্যা, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী মামলার আসামি রয়েছে। এক পর্যায়ে পুলিশ ও র্যাবের ভয়ে সে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ ঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোঃসাইফুল্লাহ/সময় সংবাদ
