![]() |
পুলিশ এখন জনগনের আশ্রয় স্থান আরএমপি পুলিশ কমিশনার | সময় সংবাদ |
ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী:
“বিট পুলিশিং বাড়ি বাড়ি, নিরাপদ সমাজ গড়ি” এই প্রতিপাদ্য স্লোগান নিয়ে রাজশাহীতে বিট পুলিশিং ডে উদযাপিত হয়েছে।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও সু-সজ্জিত কর্মসূচীতে পালিত হয় এই দিনটি। পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ এই মূলমন্ত্রের ভিত্তিতেই কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যক্রমের পরিচালিত হয়ে আসছে। পুলিশ একা জনগণের সেবা করতে পারে না, সকলের সহযোগিতায় নিয়ে কাজ করতে চাই। কমিউনিটি পুলিশিং সেটাই করে যাচ্ছে। করোনা কালিন সময়ে জনগণরের প্রতিটি পুলিশ দ্বারে দ্বারে অক্রিজেন সেবা ও খাদ্যদ্রব্য পৌছে দিয়েছে। এই অরুভুতি থেকে কমিউনিটি পুলিশের সাথে জনগণের সম্পৃক্ততা আরো দৃঢ় হয়েছে।
মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান রাজশাহী সিটিকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তার সহযোগিতায় এই সেবা কার্যক্রম আরো জোরালো ভূমিকা রাখে। রোগীদের জন্য বিনামূল্যে অক্সিজেন সরবরাহ করা। অপরাধ নির্মূলে মহানগরীতে ৫০০ সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে অপরাধ কমাতে সক্ষম হয়েছে। সাইবার ক্রাইম ইউনিট গঠন করে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মহানগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত শুরু হয়েছিলো সেগুলো নিয়ন্ত্রণ ও অভিভাবকদের ডেকে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আগামীদিনে জনগণ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশা ও সংগঠনের সাথে কাজ করে জনগণের সেবা করবে পুলিশ।
কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপদাযপন উপলক্ষে মহানগরীর আলপট্টি মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আনন্দ শোভাযাত্র রাজশাহী কলেজে গিয়ে শেষ হয় এবং রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় র্যালিতে রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট অংশগহণ করে।
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে আইন শৃঙ্খলাও বেশ পরিবর্তন হয়েছে। প্রত্যন্ত পর্যায়ে আইনি সেবার পৌছে দেয়ার লক্ষে বিট পুলিশিং ব্যবস্থা। দেশের প্রায় ৮৭শতাংশই নারী পুরুষের মাধ্যমে নির্যাতিত। ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, নারী অপহরণ, এসিড নিক্ষেফসহ বিভিন্ন কৌশলে নারীদের নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে মাদক সেবন করে গোটা প্রজন্মকে অসুস্থ করে দেয়া হচ্ছে। পুরুষরা মাদক সেবনের পরে ইভটিজিং ও অসম্মান করে থাকে নারীদের। অপরদিকে পারিবারিক ও সামাজিক, অর্থনৈতিক কারনেও তারা আতহত্য করে থাকে। যার কারনে থানা পুলিশের পাশা পাশি বিট পুলিশিং এর ব্যবস্থা করা হয়।
এই সরকারের সময় নারী নির্যাতন, মাদক নিমূল, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যাসহ নানাবিধ অপরাধ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। আগামীদিনে পারস্পারিক শ্রদ্ধবোধের সংস্কৃতি জাগিয়ে তুলাসহ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতাই একটি সুস্থ সমাজ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে পুলিশের বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠন।
আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির আহ্বান প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক, সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপিকা জিন্নাতুন নেসা তালুকদার, র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল রিয়াজ শাহরিয়ার, রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আব্দুল খালেকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

