জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬

জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী

 

জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী
জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এখনো নির্বাচন কমিশন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা দেননি, তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে।


নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সংস্কার কার্যক্রম শেষে চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) ধাপে ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। তবে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও তফসিল এখনো ঘোষণা করা হয়নি।


জকিগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন জকিগঞ্জ পৌরসভার প্রথম মেয়র ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সিলেট জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ইকবাল আহমদ তাপাদার; জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমান; ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী; সমাজসেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা সুয়েব লস্কর; সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম রোকবানী জাবেদ; সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুস ছবুর; বিএনপি নেতা মো. শাহীন আহমদ; মাওলানা বিলাল আহমদ ইমরান এবং ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী।


এ ছাড়া রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, এককভাবে নির্বাচন হলে খেলাফত মজলিসের মাওলানা মখলিছুর রহমানসহ আরও কয়েকজন নতুন মুখও চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। তবে এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনী মাঠ আরও সরগরম হয়ে উঠবে এবং তখনই সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান ও রাজনৈতিক সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে। জোটগতভাবে নাকি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন হবে, সেটিও তখন পরিষ্কার হতে পারে।


নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা শুরু হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে, যদিও নির্বাচন কমিশন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেয়নি।


নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায়ও কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি দুই হাজার ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া ভোটগ্রহণ আরও সুশৃঙ্খল করতে বুথ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।


উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটাররা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান—এই তিনটি পদে পৃথক ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।



Post Top Ad

Responsive Ads Here