নাহিদ হোসেন নাটোর প্রতিনিধিলালপুর উপজেলার দুর্ঘটনা কবলিত এলাকা সহ নাটোর-পাবনা সড়কে লেগুনা, সিএনজি, নছিমন করিমন সহ সকল স্থানীয় গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ছিল শনিবার বিকেলে দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকেই। রবিবারও সারাদিন ওই ধরনের কোন যানবাহন সড়কে চলাচল করেনি।
সড়কে বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও লোকাল কোন যাত্রী বা মালামাল তারা বহন করেননি। ফলে দিনভর দুর্ভোগ পোহাতে হয় লালপুর উপজেলার কদিমচিলান, ডাঙ্গাপড়া, গোধড়া,দাইড়পাড়া, ধলা, বড়াইগ্রাম উপজেলার রাজাপুর, গোপালপুর, মুলাডলিসহ কয়েকটি এলাকার সাধারণ মানুষকে। তবে দু’একটি পায়ে ঠেলা ভ্যান গাড়ি চলতে দেখো গেছে। লালপুরের কদিমচিলান ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের স্কুল ছাত্রী নুসরাত জাহান বলেন, আমিও নিরাপদ সড়ক চাই। তাই রাস্তায় কোন রকম ফিটনেসবিহীন গাড়ি দেখতে চাইনা। কিন্তু আমি আমার বাড়ি থেকে ৮ কি.মি দূরের স্কুলে যায়। রাস্তায় কোন বাস থামেনা। আমি তো পায়ে হেটে যেতে পারবো না। কদিমচিলান গ্রামের কাউসার প্রামাণিক বলেন, আমাদের এখানে একটি বাসস্ট্যান্ড আছে। কিন্তু বাস এখানে থামেনা। লোকাল বাস না থাকায় আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় কদিমচিলান ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা জনদুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, মহাসড়কে লেগুনা সহ ফিটনেস বিহিন যে কোন গাড়ি চলাচল বন্ধ হওয়া দরকার। তবে সাধারণের চলাচলের জন্য বিকল্প যানবাহনের ব্যবস্থাও জরুরী।

