শাকির আহম্মেদ, শ্রীমঙ্গল(মৌলভীবাজার)প্রতিনিধি: কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি না থাকায় শ্রীমঙ্গল ৫টি ইউনিয়নে ৫টি পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র গুলোর বেহাল দশা বিরাজ করছে।
দেশ যখন উন্নয়নের গতি ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে তখন অন্যদিকে দিন কে দিন অবহেলা অনাদরে নিমজ্জিত হয়ে আছে পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র গুলো। দেখার মতো কেউ নেই, হয়তো বা কর্তৃপক্ষরা দেখেও এড়িয়ে যান। এসব কেন্দ্রে স্থাপনা হয়েছে ছিল ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৬সালে কেন্দ্র গুলোতে সমাজের উন্নয়ন মূলক কাজ ছিল-ইউনিয়ন সমাজ কর্মীর কার্যালয়, উপকৃত পরিবারের উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সামাজিক শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা কর্মসূচী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গ্রামের বিবিধ কল্যাণমুলক কাজসংগঠন ও পরিচালনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, পরিবার পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ ও সেবা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচী, সমাজ সেবা কমিটির সভা ও প্রশিক্ষণ।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, আশীদ্রোন ইউনিয়নের খোশবাস পূব আশীদ্রোন পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র, ভূনবীর ইউনিয়নের মধ্য লইয়ারকুর পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্রে সেমিপাকা টিনসেট ঘরের টিন ছিদ্র ছিদ্র হয়ে আছে, দেয়াল গুলো ফাঠল দিয়েছে, ময়লা আবর্জনায় ভড়ে রয়েছে। এইটি যেন পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র নয় ঘুধাম ঘর হয়ে রয়েছে । এমন চিত্র শুধু এসব কেন্দ্র গুলোতে নয় মির্জাপুর ইউনিয়নের সুইলপুর ধোবারহাট পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র, কালাপুর ইউনিয়নের সিরাজনগর পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র, সিন্দুরখান ইউনিয়নের ষাড়েরগজ পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র।
আশীদ্রোন ইউনিয়নের পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্র জমি দাতা মো. মদরিছ মিয়া জানান, আমার স্বপ্ন শুধু স্বপ্ন রয়ে গেছে নেই কোন কার্যক্রম। ভাঙ্গা চুড়া অবস্থায় পড়ে আছে, আমার নিজ খরছে মাঝে মধ্যে এখান দুইখান টিন পরিবর্তন করছি। অফিসের বিতরে চিখা, মাকর, টিকটিকি, বাড়ী হয়ে গেছে। গরু,ছাগল ঘরে বারিন্দাতে বসে থাকে। যে স্বপ্ন নিয়ে জমি দান করে ছিলাম এ স্বপ্ন সত্য হল না। আমার দাবী আমি জীবিত থাকতে পরিবার উন্নয়ন কেন্দ্রটিকে নতুন করে সংষ্কার করে কার্যক্রম শুরু করা হউক।
এদিকে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো.সুয়েব হোসেন চৌধুরী বলেন, মৌলভীবাজার সমাজ সেবা কার্যালয়ে গত বছর ২৪ সেপ্টেম্বর মাসে এসব কেন্দ্র গুলো উল্লেখ্য করে সংস্কার করার জন্য একটি চিঠি প্রেরন করি।

