![]() |
| রাঙামাটিতে সওজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগ |
রাঙামাটি প্রতিনিধি:
রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবার।
রোববার দুপুর ১২টায় রাঙামাটি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফাতেমা আক্তার নিপা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. নূর হোসেন, মো. ইকবাল হোসেন ও নীলা আক্তার।
লিখিত বক্তব্যে তারা অভিযোগ করেন, রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোয়ার্টারসংলগ্ন একটি সরকারি খাস জমিতে তারা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। ২০১৯ সালে ওই জমি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য তারা আবেদন করেন।
তাদের দাবি, পরে ২০২৩ সালে রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগ একই জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার জন্য আবেদন করে। উভয় পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালত জমিটির বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। অভিযোগে বলা হয়, হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তার কর্মচারীরা মেরামতরত ঘর ভাঙচুর করে এবং ঘরের মালামাল লুট করে নিয়ে যান।
অন্যদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারকে সাময়িকভাবে সওজ কোয়ার্টারে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে তারা কোয়ার্টারের পাশের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ শুরু করেন।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে একাধিকবার তাদের সতর্ক করা হয়। চলতি মাসের ১৬ জানুয়ারি রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয়। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্মাণকাজ চলতে থাকায় ঘর তৈরির কাজে ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করা হয়।
নির্বাহী প্রকৌশলীর দাবি, কাউকে উচ্ছেদ করা হয়নি এবং বিদ্যমান ঘরের কোনো ক্ষতিও করা হয়নি।

