সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, জানুয়ারি ২৩, ২০২৬

সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ

 

সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ
সিডিএ’র নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ


মোঃ নাজমুল হোসেন ইমন, স্টাফ রিপোর্টার:

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) জনবল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের তীব্র অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিডিএ সচিবের পিয়ন নূর মোহাম্মদ বাদশা ও তার ছেলে মোবাইল অ্যাপ ‘ইমু’ ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এতে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।


সিডিএ’র জুনিয়র হিসাবরক্ষক, সাঁট লিপিকার, ড্রাইভার, অফিস সহকারী ও অন্যান্য পদে গত ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় বাছাইয়ের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয়েছিল। তবে পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বিতর্কের মুখে পড়েছে।


সুত্রের খবর, নূর মোহাম্মদ বাদশা তার ছেলের মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার্থী ও দুর্নীতিবাজদের সাথে যোগাযোগ করে অর্থ আদায় করেন। সম্প্রতি মেহেদীবাগ এলাকায় প্রশ্নপত্র বিক্রির টাকা নিতে গেলে এক ব্যক্তিকে গ্রামবাসী আটকে রাখে, যেখানে বাদশার ছেলের নাম স্বীকার করে।


সিডিএ সচিব রবীন্দ্র চাকমা বিষয়টি স্বীকার করে জানান, তার ইমু অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ আদায়ের বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। তবে তিনি দাবি করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। ঘটনার জড়িতদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একজনকে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


সিডিএর অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, বাদশা সচিবের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহকারী এবং বিভিন্ন গোপন কাজ দেখাশোনা করেন। কর্মস্থলে তার এই অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের দূর্নীতি ও অনিয়ম সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে।


একই সূত্রের দাবি, গত ৯ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত কিছু পদে দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করাও অনৈতিক তদবিরের অংশ। এছাড়া অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে দ্রুত নিয়োগ শেষ করার চেষ্টাও স্পষ্ট।


সিডিএ’র সদস্য (প্রশাসন) নুরুল্লাহ নূরী পূর্বে জানিয়েছিলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনেই পরিচালিত হবে, কিন্তু এখনো তা বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অর্থ হাতানোর মতো গোপন অপকর্মে পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।


স্থানীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি মো. আফতাবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিডিএর নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ভবিষ্যতে এমন দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সচেতন সমাজ।



Post Top Ad

Responsive Ads Here