ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সালথায় দুই বন্ধু মিলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবী কওে সংবাদ সম্মেলন করেছের ঘট্রি ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বড় লক্ষনদিয়া গ্রামে চেয়ারম্যান বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবী জানান।
ধর্ষনের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবী জানিয়ে চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু বলেন, এই শান্ত জনপদকে যারা অশান্ত করার চেষ্টা করবে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। গণমাধ্যম ফেসবুকে যারা মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ইউপি চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলনে স্কুলছাত্রী ধর্ষনের সাথে জড়িতদের দ্রæত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নের কিছু বিরোধী গোষ্টি রয়েছে তারা আমাকে জরিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তারা এই ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এখন ঘোলা পানিতে মাছ স্বীকার করার পায়তারা করছে। আমি এই সব মুখোশধারী শয়তানকে বলবো অন্যায় করে পার পাবেন না। ঘটনা ঘটাবেন আপনারা আর দোষ দিবেন নিরোহ লোকজনকে তা হবে না। আমি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে যারাই জরিত থাক তাদের সকলের গ্রেফতারের জোর দাবি জানাই।
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলে ঘরের বাইরে বের হয় ঘট্রি ইউনিয়নের যুগিডাঙ্গা গ্রামের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রী। সে সময় ওত পেতে থাকা দুই বন্ধু সাকিল ও জাবের মেয়েটির মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশে বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। সাকিল যুগিডাঙ্গা গ্রামের মাসুদ শেখের ছেলে ও জাবের লক্ষনদিয়া গ্রামের বজলু মাতুব্বারের ছেলে। শুধু ধর্ষণ করে ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা। ধর্ষনের ভিডিও চিত্র মোবাইলে ধারণ করে তা আবার ফেসবুকে প্রচার করে। ফেসবুকে প্রচার হলে বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। এঘটনায় সালথা থানা পুলিশ সোমবার (২২ এপ্রিল) সাকিল নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।
এ ব্যাপারে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত সাকিল শেখকে গ্রেফতার করে তাকে মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামী জাবের পলাতক রয়েছে। তাকেও গ্রেফতারের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

