সময় সংবাদ ডেস্ক//
উজ্জ্বল অধিকারী, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল ও জাতীয় দৈনিকে " সনদ নেই তবুও লেখেন ডাক্তার শিরোনামে "সংবাদ প্রকাশের পরেও কথিত ডাক্তারের রমরমা চলছে বানিজ্য। প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত দেদারসে রোগী দেখে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। অপারেশন করার যোগ্যতা না থাকলেও প্রায়ই করছেন অপারেশনের মত অপচিকিৎসা।
গত ২৫ শে আগষ্ট রাতে, রান্ধুনিবাড়ী গ্রামের সাইদুল ইসলাম জানান, আমার স্ত্রীর পাইলসের সমস্যা ছিল। বেশ কয়েকজন ডাক্তার দেখিয়েছি। কিন্ত তাতে তার কোন উন্নতি হয় নাই। মানুষের মুখে শুনে এসেছি উনি নাকি খুব ভালো ডাক্তার। গতকাল দেখিয়েছি, অপারেশনও করেছে ৫ হাজার টাকা নিয়েছে। আজ এসেছি ড্রেসিং করবে বলেছে।
তবে অপারেশন করার বিষয়টি অস্বীকার করে কথিত ডাঃ সোলায়মান হোসেন প্রতিবেদকের কাছে , প্রথমে বলেন আমি কোন অপারেশন করি না। পরক্ষনে রোগীর স্বামীর অপারেশন করার স্বীকারোক্তির ভিডিও ক্লিপ দেখালে অপারেশন করার স্বীকারোক্তি জানান। তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও হরহামেশাই এ ধরনের কাজ করে আসছেন।
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ জাহিদুল ইসলাম জানান, আমরা সালমা ক্লিনিকের বিষয়টি বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তারই ফলশ্রুতিতে আমরা বিষয়টি তদন্তের জন্য স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত করেছি। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
অপরদিকে বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহবুব হোসেন জানান, আমরা জেলা সিভিল সার্জন মহোদয়ের নিকট থেকে সালমা ক্লিনিকের উপরে তদন্ত করার নোটিশ পেয়েছি। তদন্তের জন্য আমরা ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তবে আমরা যথা সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারিনি। তবে খুব দ্রুত আমরা জেলা সিভিল সার্জন মহোদয়ের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবো।

