ভাতিজা ভালো ফল না করায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির একি কান্ড ! - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯

ভাতিজা ভালো ফল না করায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির একি কান্ড !


ফরিদপুর প্রতিনিধি :
নিজের পছন্দের প্রার্থী(ভাতিজা) নিয়োগ পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে পারেনি বলে সকল নিয়মনীতি উপেক্ষা করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি পরীক্ষার খাতা নিজের কাছে নিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা তুজারপুর ইউনিয়নের ঐতিয্যবাহী সামসুদ্দিন এসএ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি ওহাব ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে। 

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের জন্য করনিক শুন্য পদে কম্পিউটর জানা একজন অভিজ্ঞ প্রার্থী আবশ্যক বলে ঘোষণা দেন প্রধান শিক্ষক। সেই সূত্রতায় শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়ে হাজির হয়ে ভাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও সদরপুর বিশ্ব জাকের মঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সেফালি বেগম (ডিজি প্রতিনিধি) ও বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে উক্ত পদে নাজমুল হক, রাকিবুল ইসলাম ও মিলন ভুঁইয়া তিনজন প্রার্থী লিখিত, মৌখিক ও কম্পিউটর জ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা দেন। 

এদিন বিকেলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নাজমুল হক, রাকিবুল ইসলাম ভাল ফলাফল করলেও তাদের বিপরীতে বিদ্যালয়ের সভাপতির প্রার্থী আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করতে না পারায় ক্ষোভে বিক্ষোভে জ্বলে উঠেন সভাপতি ওহাব ভুঁইয়া। তিনি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করার পাপাশাশি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর ফলাফল স্থগিত করে পরিক্ষার খাতাসহ প্রয়জনীয় সকল কাগজ পত্র নিজের হেফাজতে নিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। 

এই বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এমডি বাচ্চু মাতুব্বর বলেন, সভাপতি সাহেবের ভাতিজা নিযোগ পরীক্ষায় ভালোফল না করার কারনে সভাপতি রাগে পরীক্ষার সকল খাতাপত্র কাউকে কিছু না বলে নিয়ে চলেগেছে। তিনি বলেন এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি মহদোয় উপজেলা নির্বাহীকে পরীক্ষায় যিনি ভালো ফল করেছে তাকে নিয়োগের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলেছেন বলে তিনি জানান। 

ম্যানিজিং কমিটির প্রতিনিধি কাম্রুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ে করনিক শুন্য পদে তিনজন পরীক্ষাথী পরিক্ষা দিয়েছে। একজন প্রার্থী ভাল করেছেন। নিয়ম অনুসারে তিনিই নিয়োগ পাবেন। কিন্তু সভাপতির এরুপ আচরণ খুবই দুঃখজনক।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সইয়াদ জামসেদ আহমেদ বলেন, আমাদের কাজ সুষ্ঠ ধারায় পরিক্ষা নেওয়া। পরিক্ষার খাতা যাচাইবাছায়ে ভাল করেছেন যে প্রার্থী তাকেই প্রথম বলা হয়েছে। বিদ্যালয়ের সভাপতি কি করেছেন তা আমাদের জানার বিষয় নয়। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।  তিনি বলেন, প্রথম যিনি হয় তাকে সুপারিশ করে আসি। এরপর শুনলাম সভাপতি সকল খাতাপত্র নিয়ে গেছে এবং বলেছে দুদিন পরে দেব

এ ব্যাপারে স্কুল টির সভাপতি ওহাব ভুঁইয়া সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই নিয়োগ নিয়ে দূর্নীতি হয়েছে। এর সাথে জরিত স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি টাকা খেয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসঁ করেছেন। আমি এই কারনে এই পরীক্ষা স্থগিত করে দিয়েছি। পরবর্তীতে এই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Post Top Ad

Responsive Ads Here