সময় সংবাদ ডেস্ক//
বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী, মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ও বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম মো. মজিবুল হক ‘নয়া ভাই’কে রাজাকারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় রাস্তায় নেমেছেন স্থানীয় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছেন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা। এ সময় তাদের সঙ্গে যোগ দেন পাথরঘাটা আইনজীবী সমিতি, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও হাজারো স্থানীয় জনসাধারণ।
এর আগে বেলা ১১টায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন মুক্তিযোদ্ধারা। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের পদত্যাগ দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন মো. মজিবুল হক ‘নয়া ভাই’। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেছেন তিনি। বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে থেকেছেন। মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ গঠন থেকে শুরু করে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত পাথরঘাটা সংগঠনের সভাপতি ছিলেন নয়া ভাই। পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের টানা ৪০ বছর সভাপতি ছিলেন তিনি, ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন।
সংবাদ সম্মেলনের পর মুক্তিযোদ্ধারা পাথরঘাটা শেখ রাসেল স্কয়ারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। এতে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সাইদুল কবির ফারুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাবির হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মল্লিক মো. আইউব, পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান রফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

