ফরিদপুরে মহাসড়কের পাশে বন বিভাগের গাছ কেটে বিক্রি করে দিচ্ছে অসাধু চক্র - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২০

ফরিদপুরে মহাসড়কের পাশে বন বিভাগের গাছ কেটে বিক্রি করে দিচ্ছে অসাধু চক্র


ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলাধীন বাসাগাড়ি নামকস্থানে মহাসড়ের দুইপাশে বনবিভাগের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলেছে একটি অসাধু চক্র। এরপর সড়ক বিভাগের কার্য সহকারীর নেতৃত্বে এইসব গাছ বিক্রি করে দেয়া হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের কাছে। বিক্রি হওয়া ছোট বড় মিলিয়ে এসব গাছের দাম কয়েক লাখ টাকা। অথচ মাত্র ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া এসব গাছের ব্যাপারে বনবিভাগ কিছু জানেই না।


ফরিদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ডাঙ্গি ইউনিয়নের বাসাগাড়ি হতে কাজী বাড়ির মধ্যবর্তী ১২শ’ ৯০ মিটার অংশে ক্ষতিগ্রস্থ মহাসড়কের সংস্কারের কাজ চলছে। ওই কাজের তদারকিতে নিয়োজিত ফরিদপুর সড়ক বিভাড়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, সংস্কার কাজ চলাকালে বেকু মেশিন চালনার সুবিধার্থে মহাসড়কের মধ্যে চলে আসা উভয় পাশের কিছু ডালপালা কেটে ফেলা হয়েছে। কিন্তু কোন গাছ কাটা হয়নি। এসব ডাল কেটে নেয়ার জন্য বনবিভাগকে লিখিতভাবে অনুরোধও জানানো হয়েছে। 


সরোজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ওই স্থানে মহাসড়কের উভয় পাশে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৩০টির মতো গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এসব গাছের প্রায় অনেকগুলো বেকু মেশিন দিয়ে মাটির গভীর হতে উপড়ে ফেলা হয়েছে। কিছু গাছ শেকড় সমেত নিয়ে গেছে। এখনো শেকড় রয়ে গেছে। পাশাপাশি কেটে ফেলা কিছু গাছ এখনো সেখানে পরে আছে।


গাছ কাটার সত্যতা নিশ্চিত করে ডাঙ্গি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার কাজী সেকেন্দার আলী বলেন, গাছ কাটার পর কিছু গাছ ইউনিয়ন পরিষদকেও তারা দেয়। এসব দিয়ে বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকীর ব্যানার ও ফেস্টুন বানানো হবে। এসব গাছ আনতে ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। 


স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বেকু চালানোর সুবিধার্থে ডাল কাটার অজুহাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কার্য সহকারী (ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট) জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে রাতের আধারে এসব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। ওই স্থানটি নিরিবিলি হওয়ায় স্থানীয়রাও বিষয়টি তেমনভাবে জানতে পারেননি। তবে জিন্নাত আলী এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।


এব্যাপারে ফরিদপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এনামুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সড়ক বিভাগ হতে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা এখনো সেখানে গাছ কাটার কোন অনুমতি দেইনি। কেউ যদি সেখানে অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে নেয় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেবো। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

Post Top Ad

Responsive Ads Here